বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০৩ অপরাহ্ন

বদরুদ্দীন উমর এবং লেজ কাটা শিয়ালের গল্প – অপু সারোয়ার

অপু সারোয়ার
শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫

বদরুদ্দীন উমর মার্ক্সবাদী রাজনীতিক, বুদ্ধিজীবী । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনে ১৯৫৫ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্নের পর ১৯৬১ সালে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিপিই ডিগ্রি অর্জন করেন। বদরুদ্দীন উমর কর্মজীবন শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬৮ সালে শিক্ষকতা ত্যাগ করে সার্বক্ষণিক রাজনীতিতে যোগ দেন। পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী জোট, বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। তার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় একশ ।

বদরুদ্দীন উমরের পিতা আবুল হাশিম ছিলেন অবিভক্ত বাংলার মুসলিম লীগের কান্ডারী। ১৯৪৬ সালের নিবার্চনে আবুল হাশিমের নেতৃত্বে মুসলিম লীগ অবিভক্ত বাংলায় সংখ্যাগরিষ্টতা পেয়েছিল। অবিভক্ত বাংলায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্টতা এবং নির্বাচনে বিজয় আজকের বাংলাদেশ অঞ্চলকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তির সহায়ক ছিল। ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগ শুধুমাত্র অবিভক্ত অঞ্চলে সরকার গঠনের মত সংখ্যাগরিষ্টতা পেয়েছিল। আবুল হাশিম ছিলেন অবিভক্ত বাংলা মুসলিম লীগের ‘ প্রগতিশীল ‘ অংশের নেতা হিসেবে তাঁর খ্যাতি ছিল। ১৯৪৬ সালের নিবার্চনে জয়লাভের অল্প কিছু দিন পরেই আবুল হাশিম মুসলিম লীগের নেতৃত্ব হারান। সংসদীয় পদ্ধতিতে যে নেতার নেতৃত্বে দল ভোট জয় লাভ করে সেই নেতাই সরকারের প্রধান হন। এই ক্ষেত্রে আবুল হাশিমের ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল না। মুসলিম লীগের সাথে আবুল হাসিমের বিরোধের শুরু এই সময় থেকে। মুসলিম লীগের নেতৃত্ব হাত ছাড়া ছাড়া হওয়ার অল্প পরে ১৯৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার দাবি হিন্দু – মুসলিম কোন পক্ষের কাছেই গ্রহণ যোগ্যতা পায়নি। মুসলিম লীগের নেতৃত্ব হাত ছাড়া হওয়া এবং কোন রকম রাজনৈতিক পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া অখণ্ড বাংলা দাবিকে নিয়ে রাজনৈতিক ভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা নিয়ে আলোচনা ভিন্ন আবুল হাসিমকে উর্ধে তুলে ধরা খণ্ডিত ইতিহাস।

১৯৫০ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হাঙ্গামায় অনিশ্চয়তায় ১৯৫০ সালে ঢাকায় চলে আসেন আবুল হাসিমের পরিবার। যে কোন বাস্তু ত্যাগের সাথে জড়িত রয়েছে নানান মানসিক জটিলতা। এই জটিলতা অনেক সঠিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের অন্তরায়। বদরুদ্দীন উমরের ক্ষেত্রে বাস্তু ত্যাগের মনস্তাত্বিক জটিলতা ১৯৭১ সালের যুদ্ধে ঠুঁটো জগন্নাথ বানিয়ে ফেলেছিল। আবার ভারতে যেহেতু বদরুদ্দীন উমরের পরিবার হিন্দুদের হাতে সাম্প্রদায়িক আক্রমণের শিকার হয়েছিলেন , সেই ক্ষত বাংলাদেশে হিন্দুরা সাম্প্রদায়িকতার শিকার এ কথা মেনে নিতে উমরকে চিন্তায় বাধাগ্রস্থ করে আসছে গত পাঁচ দশক ।

৫ অগাস্ট ২০২৪, শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে বদরুদ্দীন উমরের সাক্ষাৎকার দেশের প্রধান প্রধান দৈনিক ও অন্যান্য মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে চলছেন। প্রায় প্রতিমাসেই কোন না কোন প্রধান গণমাধমে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন ৯৩ বছর বয়স্ক জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি বদরুদ্দীন উমর। প্রথম আলো, বণিক বার্তা , যুগান্তর, খবরের কাগজ জাতীয় পরিচিত গণ মাধ্যম গুলোতে। উমরের বক্তব্য সমালোচনা প্রধান। শেষ মুজিব থেকে চারু মজুমদার, কিংবা ইপিসিপি – পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি নেতা আব্দুল হককরা বদরুদ্দীন উমরের নিশানা। ছোট -খাটোদের তিনি কোন ধর্তব্যের মধ্যে আনেননি।

গত ২৬ মার্চ প্রথম আলোতে একটি সাক্ষাৎকার নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এই সাক্ষাৎকারে বদরুদ্দীন উমর ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় ইপিসিপি – পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টির সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। ১৯৭২ সালের এই দল থেকে পদত্যাগের কথা বলেছেন। উল্লেখ্য ইপিসিপি – পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান আব্দুল হকের নেতৃত্ব ১৯৭১ সালের যুদ্ধকে ‘ দুই কুকুরের কামড়াকামড়ি ‘ বলেছেন। উমর বদরুদ্দীন উমরের প্রথম আলো- ২৬ মার্চ ২০২৫ সাক্ষাৎকারের বিপদজনক দিক হচ্ছে চীনপন্থী যে সমস্ত দল মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল সকল দলের ইতিহাসকে খাটো করে দেখেছেন। ১৯৬৬/৬৭ থেকে চীন পন্থী কমিউনিস্ট পার্টি গুলো ৬/৭টি দল / গ্ৰুপে ভাগ হয়ে পড়েছিল। এই বিভক্তির বামপন্থী দল গুলোর দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলার অন্তরায় ছিল। ভাঙ্গনের ফলে বিভিন্ন চীনপন্থী দল গুলো এক ধরণের আঞ্চলিক দলে রূপান্তরিত হয়ে পড়েছিল। বৃহত্তর রাজশাহী বিভাগেরর বিভিন্ন জেলায় পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি ( এম-এল ), বৃহত্তর খুলনা যশোর অঞ্চলে ইপিসিপি এম-এলের প্রভাব ছিল। ইপিসিপি এম-এল চীন পন্থীদের মাতৃ পার্টি হওয়ার কারণে দেশ ব্যাপী ছড়িয়ে ছিটিয়ে সাংগঠনিক কাজ ছিল। যুদ্ধকালীন সময়ে বরিশাল অঞ্চলের সর্বহারা পার্টির জন্ম হয়। বৃহত্তর ঢাকা জেলায় কমিউনিস্ট বিপ্লবীদের সমন্বয় কমিটি ( কাজী জাফর -মেনন ) সক্রিয় ছিল। নওগাঁর আত্রাইয়ে ওয়াহিদুর রহমানের নেতৃত্বে যুদ্ধ হয়েছিল। রাজশাহী অঞ্চলে ‘ মাইতি গ্ৰুপ ‘ নামে খুব ছোট গ্ৰুপ যুদ্ধ করেছিল সিরাজগঞ্জ শহরের দখলে গুরুত্ব পূর্ন ভূমিকা রেখেছিল ইপিসিপির সাথে যুক্ত ইসমাইল গ্ৰুপ। চীন পন্থী কমিউনিস্টদের বিভিন্ন গ্ৰুপের যুদ্ধে অংশ নেওয়ার কথা যুদ্ধকালীন সময়ে যেমন রাজনৈতিক মহলে প্রচারিত ছিল। তেমনি গত কয়েক দশকে এই সব যুদ্ধ নিয়ে বই লেখা হয়েছে। নরসিংদীর শিবপুরের যুদ্ধ, ঝালকাঠির পেয়ারাবাগান, যশোরের ইপিসিপির যুদ্ধ নিয়ে প্রকাশিত বই বাজারে সহজলভ্য। এই সব বইয়ের কিছু বক্তব্য নিয়ে সমালোচনা থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে এই যুদ্ধ গুলো নিয়ে অনেক তথ্য থাকার পরেও উমর এই তথ্য গুলোকে আমলে নেননি। কারণ এই পিকিংপন্থী বামপন্থীদের ইতিহাস প্রকাশিত হলে উমরের নিষ্ক্রিয়তা ও রাজনৈতিক ভাবে যুদ্ধবিরোধিতা সামনে চলে আসে। উমরের ভাষ্যে তিনি বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয়ের বিরোধী ছিলেন। তিনি ইপিসিপির সাথে সম্পর্ক ছেদ ঘটিয়েছেন ১৯৭২ সালে।

১৯৭১ সালে নিজের যুদ্ধকালীন অবস্থান পরিষ্কার করার জন্য উমর বিভিন্ন সময় ” ১৮ পৃষ্ঠার দলিল এবং ৬৪ পৃষ্ঠার দলিল ” এর কথা বলে থাকেন। সবচেয়ে বড় কথা এই দলিল যুদ্ধকালীন সময়ে প্রকাশের কথা কখনো সামনে আসেনি। ইপিসিপির দুই নেতা বিমল বিশ্বাস ও নূর মোহাম্মদ যুদ্ধ কথা লিখেছেন। এই বইগুলোতে বদরুদ্দীন উমরের কথিত দলিলের কোন উল্ল্যেখ নেই । একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের কমিউনিস্টদের রাজনৈতিক ভূমিকা নামের বইতে উমরের কথিত দলিল ছাপা হয়েছিল ১৯৯৬ সালের এপ্রিল মাসে।

উমর বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা রাখতে না পারার ” প্রধান কারণ, তাঁরা প্রকৃতপক্ষে বামপন্থী ছিলেন না “ । “পরবর্তীকালে তাঁদের চরিত্র ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে গেল। যে জায়গায় তাঁরা পৌঁছে গেলেন, তাতে বামপন্থী বলে চেনার কোনো উপায় থাকল না। প্রথমত, যাঁদের বামপন্থী বলা হয়, তাঁদের মধ্যে আমি অন্তত কমিউনিস্ট চরিত্র দেখিনি।” যে কোন দলের নেতৃত্ব দেওয়ার সম্ভবনা নির্ভর করে সেই দলের সাংগঠনিক শক্তি ও ব্যাপ্তির উপরে। চীনপন্থী দল গুলি বহুধা বিভক্তি ক্ষুদ্র সাংগঠনিক শক্তি বড় ধরণের ভূমিকার প্রধান অন্তরায় ছিল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে বামপন্থীদের নেতৃত্বের স্থান যাই হোক, উমরের এক তরফা দৃষ্টিভঙ্গি শেষ বিচারে একাত্তরে যুদ্ধে কমিউনিস্ট বিপ্লবীদের ভূমিকাকেই নাকচ করে দেয়।

বদরুদ্দীন উমরের ১৯৭১ সালের যুদ্ধে বামপন্থীদের অবস্থান বর্ণনা অনেকটা লেজ কাটা শিয়ালের গল্পের মত। শিয়ালের গল্পটা অনেকটা এই রকম – একদিন একটা শিয়াল ফাদে পরে, তার লেজটা হারালো।সে এই অবাস্থায় সমাজে সবার সামনে আসতে পারছিল না।লেজ হারানোর লজ্জার হাত থেকে বাচার জন্য শিয়াল একটি বুদ্ধি তৈরি করল। বুদ্ধিটা এরূপ ছিল যে, লেজ হারা শিয়াল চাইছিল সবার লেজ কেটে ফেলা হোক।
বদরুদ্দীন উমর যুদ্ধ করেননি। তাই তাঁকে যেন এই ব্যাপারে কোন কিছু বলতে না পারে সেই জন্য সকল চীনপন্থী বাম দোল গুলো যুদ্ধ করেনি এমন বক্তব্য দিয়ে বেড়াচ্ছেন।

বদরুদ্দীন উমর কিন্তু নিজেই ” প্রকৃতপক্ষে বামপন্থী ” না থাকার তথ্যকে নাকচ করে দিয়েছেন। প্রথম আলোর একই সাক্ষাৎকারের প্রথম ও শেষের অংশ স্ববিরোধী। ১৯৭১ সালে যুদ্ধে বামপন্থীদের ভূমিকা না রাখতে পাড়ার বিষয়টি সঠিক ভাবেই চিহ্নিত করতে পেরেছেন তিনি । উমরের ভাষ্যে ” ……বড় ছাত্র সংগঠন [ ছাত্র ইউনিয়ন চীন পন্থী ] ছিল, সেটা ভেঙে দিলেন। কৃষকসংগঠন, শ্রমিকসংগঠন ভেঙে দিলেন। এর ফলে একাত্তর সালের ঠিক আগে পার্টি [ ইপিসিপি ] ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে গেল। একাত্তরে সালে যুদ্ধ যখন শুরু হলো, জনগণের কাছে পৌঁছানোর মতো কোনো সাংগঠনিক কাঠামো থাকল না। যাঁরা এসব গণসংগঠনে ছিলেন, তাঁরা ছড়িয়ে গিয়ে এদিক-সেদিক চলে গেলেন। অন্য সংগঠনগুলোতেও অনেকে চলে গেলেন। নেতৃত্ব অকেজো হয়ে গেল। ”

দেশের বর্ষিয়ান মার্ক্সবাদী রাজনীতিক, বুদ্ধিজীবী ও লেখক বদরুদ্দীন উমর। তবে বিভিন্ন সময় একই ঘটনার ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য পেশ করেছেন। উমর ভাষায় ” আওয়ামী লীগের বাধার কারণে বামপন্থীরা লড়াই না করে থাকলে তো সেটা আরও খারাপ। তাঁরা [ বামপন্থীরা ] লড়াই করেননি নিজেদের সিদ্ধান্তে।” উমরের এই উচ্চারণ আওয়ামীলীগের বাধার কারণে যুদ্ধ করতে পারেনি এমন বামপন্থী প্রচারণকে কিছুটা হলেও প্রশ্নের মুখোমুখি করবে। বামপন্থীদের যুদ্ধের ময়দান থেকে হাত গুটিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বদরুদ্দীন উমরের বক্তব্যে উঠে এসেছে ” যুদ্ধের প্রথমে কমিউনিস্টরা মাঠে ছিল। জুন মাস পর্যন্ত মাঠেঘাটে সর্বত্রই কমিউনিস্টরা ছিল। তারপর যখন যশোর অঞ্চলে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আওয়ামী লীগ ফিরে আসা শুরু করল, আব্দুল হক [ ইপিসিপি নেতা ] ফরমান দিলেন- এরা হচ্ছে শ্রেণিশত্রু। এদের ওপর আক্রমণ করতে হবে। এই আক্রমণ শুরু হলেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে দ্বন্দ্ব শুরু হলো। তখন সাধারণ মানুষ কমিউনিস্টদের বিরুদ্ধে চলে গেল। কারণ গ্রাম পর্যায়েও আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা ছিল। শেখ মুজিবের তো বিপুল জনপ্রিয়তা ছিল। ফলে আগস্ট মাসের দিকে জনগণের ভয়ে কমিউনিস্টদের গ্রাম ছেড়ে চলে আসতে হলো। ” [ সমকাল – সমকাল । ১৯ ডিসেম্বর ২০২১ ]

বদরুদ্দীন উমর বলেছেন : “লড়াই করতে গিয়ে দেখেছি, আমি দক্ষিণপন্থীদের দিক থেকে বিরোধিতা পাইনি, সব বিরোধিতা পেয়েছি বামপন্থীদের কাছ থেকে।” ঘোষিতভাবে কমিউনিস্ট হয়েও তাঁর এই ‘দক্ষিণপন্থীদের দিক থেকে বিরোধিতা না পাওয়ার’ কারণ উমর কখনো অনুসন্ধান করে দেখেছেন কি ? ইউনুস শাসনামলে দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা নিয়ে উমরের বক্তব্য সরকারি প্রেসনোটে ও ইসলাম পন্থী দল গুলোর সাথে মিলে যায়।
===
তথ্য সূত্র :
১. বিশেষ সাক্ষাৎকার: বদরুদ্দীন উমর -কমিউনিস্টরা বাংলাদেশকে জানতেন না। বদরুদ্দীন উমর। প্রথম আলো। ২৬ মার্চ ২০২৫।
২. সেই জীবনই যাপন করেছি, যা করতে চেয়েছি – সাক্ষাৎকার: বদরুদ্দীন উমর। সমকাল । ১৯ ডিসেম্বর ২০২১ ।


একই ঘরনার সংবাদ
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!