বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ন

সিরাজগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধ- পর্ব ২ : বেদখল সিরাজগঞ্জ, পূনগর্ঠিত ‘পাকিস্তান’ প্রশাসন

সাইফুল ইসলাম
রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫

২৭ এপ্রিল ভোর চারটার দিকে পাকসেনারা অবাঙালিদের নিয়ে নামে বাহিরগোলা রেলস্টেশনে। গণহত্যা চালায় বাহিরগোলা-ভাঙ্গাবাড়ি অঞ্চল, দরগাপট্টি, বাজার স্টেশন সুইপার কলোনি, মাহমুদপুর, নইলছাপাড়া, তেলকুপি-ধীতপুরসহ শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন অঞ্চলে। শহরের প্রায় সকল বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়, যেখানে মানুষজনকে দেখা যায় সেখানেই চালানো হয় গণহত্যা। কারাগারে গিয়ে মুক্ত করা হয় নিরাপত্ত¡া হেফাজতে রাখা অবাঙালিদের। সারাদিনে তারা শহর এবং শহরতলীর বাড়িতে বাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। ধ্বংসস্তুপে পরিণত হওয়া সিরাজগঞ্জ শহরে উড়িয়ে দেয় পাকিস্তানের পতাকা। কিন্তু দেশ শাসনে প্রয়োজন কিছু বাধ্যানুগত জনগণ, একটি প্রশাসন কাঠামো। শহরের বেশিরভাগ মানুষজন, এমনকি ‘সরকারি কর্মকর্তা’রাও প্রাণ ভয়ে পালিয়ে গেছে গ্রামে। পাকিস্তান সেনাদের ভয়ে পালিয়ে গেছে মহুকুমা প্রশাসক, মহুকুমা পুলিশ প্রশাসক, বিভিন্ন থানার সিও, ওসিসহ সাধারণ কর্মচারীরাÑ এমনকি পাকিস্তানপন্থী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও। ভেঙ্গে পড়া প্রশাসন পূনর্গঠন এবং জনগণের মধ্যে একটি সমর্থকগোষ্ঠি গড়ে তোলা প্রধান কর্তব্য মনে করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।

সিরাজগঞ্জের প্রথম সমর্থক গোষ্ঠি হিসেবে তারা পছন্দ করে ঈশ্বরর্দী থেকে সঙ্গে আসা অবাঙালি গোষ্ঠি যারা সিরাজগঞ্জ থেকে পালিয়ে গিয়ে সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল। এছাড়াও সিরাজগঞ্জে টিকে থাকা আবাঙালিদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে ওঠে সহজেই। এরপর স্থানীয় পাকিস্তানপন্থী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্যোগ নেওয়া হয়। শহর ছেড়ে বহুলী ইউনিয়নের ডুমুরইছা গ্রামে এবং বাগবাটী ইউনিয়নের ঘোড়াচড়া গ্রামে আশ্রয় নিয়েছিলেন মুসলিম লীগ নেতা আসাদ-উদ দৌলা সিরাজী ও তরিকুল ইসলাম লেবু মিয়াÑ তাদের ডেকে আনা হয় সেখান থেকে। তাদের মাধ্যমে মুসলিম লীগ জামায়াতে ইসলামীসহ স্বাধীনতা বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন জনের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয় সহজেই। তাদের নিয়ে গড়ে তোলা হয় মহুকুমা শান্তি কমিটি। ওই শান্তি কমিটি সাধারণ জনগণকে আশ্বাস দিতে থাকে যে, যারা বিচ্ছিন্নতাবাদী নয়, তারা নির্বিঘেœ চলাচল করতে পারবে, তাদের কেউ কিছু বলবে না। সাধারণ মানুষ কেউ তাদের কথায় কেউ বিশ্বাস করে কেউবা বাধ্য হয়ে ফিরতে শুরু করে বাড়িঘরে। প্রাণ ভয়ে যেসব সরকারি কর্মচারী গ্রামে পালিয়ে গিয়েছিল, তাদের আহŸান জানানো হতে থাকে কাজে যোগেদানের জন্য। চাকরি রক্ষার্থে বাধ্য হয়ে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করে সরকারি কর্মচারিরা। শহরে পুড়িয়ে দেওয়া ঘরের পোড়া টিন সংগ্রহ করে কেউ কেউ ছাপড়া ঘর করে সেখানে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে নেয় অনেকে। গঠন করা হয় রাজাকার বাহিনী। চালু হতে থাকে ব্যাংক-বীমাা, কল-কারখানা, স্কুল-কলেজ, ব্যবসা বানিজ্য।

সিরাজগঞ্জ মহুকুমা সদরে শান্তি কমিটির সদস্য এবং পাকসরকারের দালাল হিসেবে যাদের নাম পাওয়া যায় তারা হলেনÑ ১. আসাদ-উদ-দৌলা সিরাজী (বাণীকুঞ্জ), তরিকুল আলম খান লেবু মিয়া (বাহিরগোলা), গোলাম আজম মোক্তার (মোক্তারপাড়া), মজিবর রহমান (জগৎগাতী), মুজিব বিহারী (পুরাতন পোষ্ট অফিস রোড), আব্দুল মতিন, আবুল হোসেন মুন্সী (গজারিয়া), রহিম সর্দার (দত্তবাড়ি), বুজু সর্দার (দত্তবাড়ি), চুনু শেখ (বিএল স্কুল রোড), মোহাম্মদ আলী (গয়লা), আব্দুর রহমান (মাহমুদপুর), মোহাম্মদ শফি (মাহমুদপুর), আব্দুল কাদের (স্টেশন রোড), আশরাফ হোসেন (স্টেশন রোড), শেখ রমজান (ষ্টেশন রোড), শেখ হাসনু (স্টেশন রোড), আব্দুল হামিদ খান (গোশালা), আশরাফ আলী (ধানবান্দি), খোরশেদ আলী (গয়লা), সৈয়দ গাফফার (মীরপুর), ইউনস তালুকদার (শুভগাছা) প্রমুখ। ‘সিরাজগঞ্জ মহুকুমার ৭৯ ইউনিয়নে শান্তি কমিটি গঠন করা হয়। এর মধ্যে ৩৫ জন সদস্য নিয়ে সিরাজগঞ্জ মহুকুমা শান্তি কমিটি গঠিত হয়। তবে সর্বশেষ প্রতি থানা থেকে ২ জন করে ৯ থানা হতে ১৮ জন এবং সিরাজগঞ্জ শহর থেকে তিন জন নিয়ে মোট ২১ সদস্য বিশিষ্ট শান্তি কমিটি গঠন করা হয়। মহুকুমা প্রশাসকের অনুপস্থিতিতে সিরাজগঞ্জ মহুকুমা লিয়াজোঁ অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন তরিকুল আলম খান লেবু মিয়া।’
উল্লাপাড়া থানা শান্তি কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন দূর্গানগর ইউপি চেয়ারম্যান জ্বনাব ভোলা খাঁ। অপর গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন তমজের মাস্টার। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী ছাত্র সংঘের নেতা আহসান আলীর তত্ববধানে উল্লাপাড়ার সলঙ্গায় প্রথম রাজাকার বাহিনী গঠন করা হয়। উল্লাপাড়া থানার রাজাকার কমাÐাররা হলেন মমতাজ মিয়া, আব্দুর রহমান, হাবিবুর রহমান বকু মিয়া, তছির উদ্দিন (রামকান্তপুর), মোকবেল হোসেন, এবাদত আলী, আবুল হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন, মোহাম্মদ দামু প্রমুখ।

কাজীপুর থানা শান্তি কমিটি ও রাজাকার বাহিনীর যাদের নাম পাওয়া যায় তারা হলেনÑ দলিল বক্স চেয়ারম্যান, আব্দুল গণি মিয়া, পোকা সরকার, আব্দুল খালেক সরকার (মানিকপটল), ময়েজ উদ্দিন (পশ্চিম খুকশিয়া), ইমান আলী চেয়ারম্যান (বড়ইতলা), মুুুঞ্জিল উদ্দিন সরকার (বুরুঙ্গি), ইউনুস উদ্দিন তালুকদার (শুভগাছা), ডা. আব্দুল জলিল (মিরারপাড়া), মোঃ ভেটু, আফজাল হোসেন প্রমুখ। মুক্তিযুদ্ধ শুরুর ওসির নাম জানা না গেলেও জুলাইয়ের দিকে দায়িত্ব নেন রাজশাহীর বাগমারার আব্দুল হামিদ। তিনি মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সাঁথিয়া থানায় সেকেন্ড অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন। পরে তাকে বেড়া থানায় আরো পরে কাজীপুর থানায় ওসির দায়িত্ব দেওয়া হয়।

কামারখন্দ থানা শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্য সচিব ছিলেন যথাক্রমে তোজাম্মেল হক সরকার ও সাগির মাস্টার। কমিটির অন্যরা হলেন পেনু চৌধুরী (দশশিকা), ডা. সাখাওয়াত হোসেন (জামতৈল), ভোলা মেম্বার (কর্ণসূতি), মকসেদ আলী (চৌবাড়ি), সেকেন্দার আলী (চৌবাড়ি), নেজাবত আলী সরকার (কাজীপুরা), আলী আশরাফ তালুকদার (ধলেশ্বর), রফিকুল ইসলাম (বাঁশবাড়িয়া), কাজী হারুনুর রশিদ (চরকুড়া), কাজী ওসমান গণি (তেঁতুলিয়া), এসএম আকবর আলী (জয়েনবরধুল), শমশের আলী সরকার (আলোকদিয়ার), আব্দুল মান্নান চৌধুরী প্রমুখ।

তাড়াশ থানা শান্তি কমিটিতে ছিলেনÑ শামসুর রহমান তালুকদার (মাগুরাবিনোদ), মজিবর রহমান (তাড়াশ), আলেক আলী আকন্দ, আজগর আলী আকন্দ (সোনাপাতিল-মাধাইনগর), ময়েজউদ্দিন মৌলভী (হেমনগর-সগুনা), আজিজুর রহমান (চৌপাকিয়া-নওগাঁ), মীর মোশারফ হোসেন (কুন্দইল-সগুনা) প্রমুখ। এই থানায় প্রায় ৩৫০ জন রাজাকার, আলবদর বাহিনীর সদস্য ছিল।

বেলকুচি থানা শান্তি কমিটির সভাপতি হন আব্দুল জলিল চান মিয়া (সোহাগপুর), সাধারণ সম্পাদক হন শহীদুল্লাহ খান (সোহাগপুর)। শান্তি কমিটির অন্যরা ছিলেনÑ পিটিশন চান (দেলুয়া), আফসার ডাক্তার (সূবর্ণসাড়া), আনজীর আলী (ক্ষিদ্রমাটিয়া), আকছেদ আলী (দেলুয়া), আব্দুর রাজ্জাক (সোহাগপুর), ঈমান আলী (ক্ষিদ্রমাটিয়া), লুৎফর রহমান (বিমালারী), আব্দুল আজিজ (ক্ষিদ্রমাটিয়া), মর্তুজা আলী (ক্ষিদ্রমাটিয়া), শফিউদ্দিন (ক্ষিদ্রমাটিয়া), হায়দার আলী (সোহাগপুর), আবুল পাশা (সোহাগপুর), আব্দুল জলিল মিয়া (সোহাগপুর), আব্দুল আজিজ (সোহাগপুর), আলাউদ্দিন (সোহাগপুর), এমএ মতিন (সোহাগপুর), মোজাম্মেল হক (সোহাগপুর), শহিদুল্লাহ খান (সোহাগপুর), সাবু মিয়া (সোহাগপুর), সেরাজুল হক (সোহাগপুর), হাবিবুর রহমান (সোহাগপুর), শামসুদ্দিন (লক্ষীপুর), নুরুল হুদা (বেড়াখারুয়া), কাজী আব্দুল হাকিম (দেলুয়া), তসলিম্ উদ্দিন (সোনাগ্রাম), আমজাদ হোসেন (ভাতুরিয়া), আলতাফ হোসেন (গয়নাকান্দি), নুহু আলী সরকার (চালা), শাহেদ আলী (বিমালারী) প্রমুখ।

রায়গঞ্জ থানায় মফিজউদ্দিন আল মাদানী (আকড়া) ও আবু বক্কর মৌলভীর নেতৃত্বে শান্তি কমিটি গঠন করা হয়। এছাড়া যাদের নাম পাওয়া যায় তারা হলোÑ শেখ তমিজ (ব্রহ্মগাছা- চকমোহনবাড়ি), আমজাদ আলী (নলকা), আব্দুর রহমান (রয়হাটি), আনোয়ার হোসেন (হারনী), আজগর আলী (মধুপুর), ক্ষুদু পাগলা (হাজিপুর), চান মোহাম্মদ (শ্রীরামপুর), মুন্তাজ আলী (ভুঁয়ট), আব্বাস ক্কারী (পুল্লা), আঃ জলিল (জয়সাগর), খোরশেদ আলী (পশ্চিম আটঘরিয়া) প্রমুখ। এদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের পর পালিয়ে যাওয়ার সময় মফিজ আল মাদানী ও মওলানা আবু বক্করকে উল্লাপাড়ার গয়হাট্টায় আটক করে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করে জনগণ। শেখ তমিজকে বাগবাটিতে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। উল্লেখ্য, রায়গঞ্জ থানা জামায়াতের আমীর ও নায়েবে আমীর ছিলেন মাওলানা মফিজ আল মাদানী ও মাওলানা আবু বক্কার। শেখ তমিজ ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক।

শাহজাদপুর থানা কাউন্সিল হল রুমে ৬ মে অনুষ্ঠিত এক সভায় সাইফুদ্দিন এহিয়াকে সভাপতি করে শান্তি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যরা হলোÑ ব্যরিস্টার কোরবান আলী (চর কৈজুরী), নুরুল আবেদীন (শাহজাদপুর স্কুলের শিক্ষক), আব্দুল ওয়াদুদ খান, আব্দুর রহমান (কায়েমপুর), ডা. মোঃ আলী (গারাদহ), আলী আকবর মির্জা (পোতাজিয়া), আসাদউল্লাহ (রূপবাটি), আকমল হোসেন (গালা), বাবর আলী সরকার (পোরজনা), মোহাম্মদ আলী খান (শাহজাদপুর), রিয়াজউদ্দিন (বেলতল), আবু মোহাম্মদ মোজহারুল হক (খুকনি), আব্দুল আজিজ (সোনাতনী), আবুল হোসেন (জালালপুর), মোশারফ হোসেন (নড়িয়া), মীর আজাহার আলী (কৈজুরী), এএফ ফজলুর রহমান (সিও), গোলাম কিবরিয়া (সিও), মজিবর রহমান (শাহজাদপুর) প্রমুখ। এছাড়াও বিপুল সংখ্যক রাজাকারের নাম এ থানায় পাওয়া যায়। শাহজাদপুরের একজন নারী রাজাকার হিসেবে কুখ্যাত হয়ে আছে, সে হলো নুরজাহান (গোপীনাথপুর)।
চৌহালী থানা শান্তি কমিটির যাদের নাম পাওয়া যায় তারা হলোÑ আব্দুস সাত্তার ভ্ইুয়া, জহির ভুইয়া, আব্দুস সালাম, আব্দুর বারী প্রমুখ।
প্রশাসন পূনর্গঠন করতে সরকারি কর্মচারীদের কাজে যোগদানের নির্দেশ জারি হতে থাকে তখন মহুকুমা প্রশাসক একে শামসুদ্দিনের অনুপস্থিতিতে ওই পদে দায়িত্ব দেওয়া হয় অবাঙালি রহিম বিহারীকে। পরে মুসলিম লীগ নেতা তরিকুল আলম খান লেবু মিয়াকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। জুন মাসে বদলী হয়ে এসে মহুকুমা প্রশাসনে দায়িত্ব নেন সিদ্দিকুর রহমান। তার স্থলাভিষিক্ত হন এম আলিমুজ্জামান। মহুকুমা পুলিশ প্রশাসকের দায়িত্বে আসেন এম আব্দুল জব্বার। বিভিন্ন থানায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হয় কাজে যোগদান করে নতুবা অন্যত্র থেকে বদলী করে এনে কাজে লাগানো হয়। যেমন মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সিরাজগঞ্জ থানায় ওসির দায়িত্ব পালন করছিলেন মজিবর রহমান (বরিশাল)। পাকসেনা আসার আগমূহুর্তে তিনি সঙ্গীদের নিয়ে পালিয়ে যান শিয়ালকোলের বড় হামকুড়িয়া গ্রামে। সেখান থেকে এসে তিনি কর্মস্থলে যুক্ত হন। পরে তাকে বদলী করা হয় বেড়া থানায়। সেখান থেকে তাকে পাবনা এসপি অফিসে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।

একই ভাবে প্রতিটি থানা প্রশাসনকে পুনগঠন করা হয়। তারাই নিয়ন্ত্রন করে শান্তি কমিটি, রাজাকার, আলবদর সহ বিভিন্ন বাহিনী। সাধারণ জরিপে জানা যায়, শতকরা ৮৫ জন কর্মচারী চাকরি রক্ষার্থে, বাধ্য হয়ে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে পাকসেনা নিয়ন্ত্রিত প্রশাসনকে সহযোগিতা করেছে। এই প্রশাসন মুক্তিযুদ্ধের বিপরীত সংগঠন হিসেবে পাকিস্তানকে সর্বোতভাবে সহায়ত দেয় অথবা দিতে বাধ্য হয়।

লেখক: মুক্তিযোদ্ধা।  আহ্বায়ক সিরাজগঞ্জের গণহত্যা অনুসন্ধান কমিটি।

[ ফটো: সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর তীরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে স্থাপিত ভাস্কর্য “মুক্তির সংগ্রাম”। ]


একই ঘরনার সংবাদ
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!