বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ন

যমুনা পাড়ে অসহযোগ আন্দোলন থেকে যুদ্ধযাত্রা – প্রথম পর্ব

সাইফুল ইসলাম
মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫

চার পর্বে যমুনা পাড়ের মুক্তিযুদ্ধ সিরাজগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে লিখছেন সাইফুল ইসলাম। প্রথম পর্বে অসহযোগ আন্দোলন থেকে যুদ্ধযাত্রা। দ্বিতীয় পর্বে পূর্ব পাকিস্তান পূনর্গঠন পর্ব -শান্তি কমিটি, রাজাকার বাহিনী, প্রশাসন পূনর্গঠন। তৃতিয় পর্বে মুক্তিযুদ্ধ পর্ব। চতুর্থ পর্বে মুক্তিযোদ্ধা প্রশাসন এবং স্বাধীন বাংলাদেশে পাকিস্তানি কাঠামোয় দেশ পরিচালনা।
সাইফুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একাধিক বই লিখেছেন। সাম্প্রতিক প্রকাশিত বই ” মুক্তিযুদ্ধ জনযুদ্ধ ‘ প্রকাশক: বিদ্যাপ্রকাশ।

সিরাজগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধ- ১ম পর্ব

সিরাজগঞ্জ অসহযোগ আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধে যাত্রা সাইফুল ইসলাম ১৯৭০ সালের ৭ ও ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ (এমএনএ) এবং পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ (এমপিএ)-র নির্বাচন। এতে সারাদেশের মতো পাবনা জেলার সিরাজগঞ্জ মহুকুমায়ও সবগুলো আসনে বিজয় লাভ করে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা। নির্বাচনের আগে তা পর্যবেক্ষণ এবং স্থানীয় ছাত্রনেতাদের সহযোগিতা করতে ঢাকা থেকে আসেন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আফম মাহবুবুল হক এবং ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগ নেতা জাহিদ হোসেন। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ওঠে যে কোনও মূল্যে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে হবে। প্রশ্ন ওঠে, যদি বাঙালির দল আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয় কিন্তু পাকিস্তান সামরিক জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তর না করে, তবে কী হবে? ছাত্রদের মধ্যে থেকেই উত্তর আসতে থাকে, যুদ্ধ করে স্বাধীন করা হবে বাংলাদেশকে। গড়ে তোলা হবে সাম্প্রদায়িক পাকিস্তানের বিপরীতে অসাম্প্রদায়িক বাঙালিদের বাংলাদেশ। নির্বাচনি ফলাফলে অন্য কোনও দলের সহযোগিতা ছাড়াই পাকিস্তানের ক্ষমতা দখলের প্রয়োজনীয় গরিষ্ঠতা অর্জণ করে আওয়ামী লীগ। ফেব্রয়ারির প্রথমার্থে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা হয় ৩ মার্চ ঢাকায়। সেখানে সমবেত হতে শুরু করে আওয়ামী লীগের নির্বাচিত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ সদসবৃন্দ। ১৯৭১ সালের ১ মার্চ দুপুর একটা পাঁচ মিনিটে রেডিওতে ঘোষণা দিয়ে স্থগিত করা হয় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন। এ অধিবেশন আবার কবে অনুষ্ঠিত হবে বা আদৌ কোনও দিন হবে কি-না তাও জানানো হয় না। এ ঘোষণাকে অসন্মানজনক মনে করে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে পুরো বাঙালি জাতি। তারা এটাকে বাঙালির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করার পাকিস্তানি ষড়যন্ত্র বলে ধরে নেয়। প্রতিবাদে তাৎক্ষনিক ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে সিরাজগঞ্জ কলেজ থেকে মিছিল বের করে ছাত্ররা। শতাধিক ছাত্রের সে মিছিলে যুক্ত হতে থাকে দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। শহর ঘুরে আসতে আসতে মিছিল হয়ে ওঠে সহস্রাধিক মানুষের মিছিল।

সবার মুখে একই শ্লোগান ‘বাঁশের লাঠি তৈরি করো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো।’ মহিউদ্দিন আলমগীরকে আহ্বায়ক এবং আজিজুল হক বকুলকে সদস্য সচিব করে গঠন করা হয় সিরাজগঞ্জ মহুকুমা স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। একই সময়ে ঢাকার পল্টনে ছাত্র-জনতার সমাবেশে ঘোষণা দেওয়া হয় স্বাধীনতার। ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ওড়ানো হয় সবুজের মাঝে লাল বৃত্তে মানচিত্র আঁকা নতুন দেশের নতুন পতাকা। ৩ মার্চ পল্টনে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সমাবেশে পাঠ করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের ইশতেহার। এ ধারাবাহিকতায় ৪ বা ৫ মার্চ সিরাজগঞ্জ কলেজ মাঠে এক ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে দেন বিশিষ্ঠ ছাত্রনেতা এমএ রউফ পাতা। আওয়ামী লীগ নেতারা স্বাধীনতার ঘোষণা, পতাকা উত্তোলণকে হটকারী সিদ্ধান্ত মনে করে বাগবিতণ্ডা য় জড়িয়ে পড়ে ছাত্র নেতাদের সঙ্গে। ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ভাষনে বলেন, ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ দ্বিধাদ্বন্দের অবসান ঘটে মহুকুমা আওয়ামী লীগের মধ্যে। ৮ মার্চ মোতাহার হোসেন তালুকদারকে সভাপতি, আনোয়ার হোসেন রতুকে সদস্য সচিব, মহুকুমার বিভিন্ন এমএনএ এমপিএ এবং আওয়ামী লীগ সদস্যদের নিয়ে গঠন করা হয় সিরাজগঞ্জ মহুকুমা আওয়ামী সংগ্রাম কমিটি। অন্যান্য থানায়ও একই ভাবে সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হতে থাকে। ন্যাপসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলও একই ভাবে সংগ্রাম কমিটি গঠন করে। ১০ মার্চ স্থানীয় পৌর মিলনায়তনে আহ্বান করা হয় মহুকুমা আওয়ামী সংগ্রাম কমিটির সভা। সভা শুরুর আগেই যোগাযোগ করা হয় সিরাজগঞ্জের মহুকুমা প্রশাসক একে শামসুদ্দিনের সঙ্গে। তিনি মহুকুমা পুলিশ প্রশাসক আনোয়ার উদ্দিন লস্করকে নিয়ে সভায় উপস্থিত হন এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বক্তৃতা করেন। প্রশাসনের দুই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সভায় উপস্থিতি সাধারণ মানুষের সাহসকে আরো বাড়িয়ে দেয়। সভায় তাদের কাছে অস্ত্র চেয়ে মুর্হুর্মূহু শ্লোগান ওঠে। অস্ত্র দিতে, প্রশিক্ষণে সহায়তা দিতেও রাজী হন তারা।

তার আগেই সিরাজগঞ্জ কলেজে ছাত্র সংসদ কলেজ মাঠে এবং সিরাজগঞ্জের পাশ্ববর্তী বহুলী হাটখোলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা শেখ মোহাম্মদ আলাউদ্দিনে নেতৃত্বে শুরু হয়েছিল মহড়া প্রশিক্ষণ। পরে সিরাজগঞ্জ শহরের জিন্না স্টেডিয়াম, আইআই কলেজ সহ বিভিন্ন স্কুল কলেজ এমনকি গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন স্কুল মাঠে শুরু হয় মহড়া প্রশিক্ষণ। গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন স্কুল মাঠে কোথাও বাঁশের লাঠি কোথাও স্কাউট ব্যবহৃত ডামি রাইফেল ব্যবহৃত হতে থাকে। এসব প্রশিক্ষণে প্রধাণত আনসার সদস্য, স্কাউট সদস্য এবং অবসরপ্রাপ্ত বিআর ইপিআর সদস্যারা এগিয়ে আসেন। প্রতিদিন গ্রামাঞ্চল থেকে মিছিল শহরে আসতে শুরু করে। ইতস্তত বিচ্ছিহ্ণভাবে হামলা হতে থাকে অবাঙালিদের ওপর। তারা আশ্রয় নিতে শুরু করে বিভিন্ন বাঙালি পরিবারে। এরমধ্যে একদিন শহরে লুটপাট হয়ে যায় অবাঙালিদের কয়েকটি দোকানপাট। লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করে নেওয়া হয় আওয়ামী সংগ্রাম কমিটির দফতর পৌর মিলনায়তনে। এসময় স্বাধীনতাকামী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে সুরক্ষিত সালেহা ইসহাক গালর্স হাই স্কুলে তাদের থাকার ব্যবস্থা করেন মহুকুমা প্রশাসক একে শামসুদ্দিন। ২৫ মার্চ সারাদেশে গণহত্যা শুরু করে পাকসেনারা। ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা অঞ্চল থেকে বিভিন্ন জন চলে আসতে শুরু করে স্বজনের কাছে। তাদের মাধ্যমে পাকসেনাদের হামলা, লুটপাট, নারী নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের খবর ছড়িয়ে পড়তে থাকে গ্রাম গ্রামান্তরে। এতে ক্ষোভ বাড়ে অবাঙালিদের ওপর। তখন সালেহা স্কুলে আশ্রয় দেওয়া অবাঙালিদের নিরাপত্ত¡া হেফাজতে স্থানীয় সিরাজগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়। সশস্ত্র প্রস্তুতি শুরু হয় সিরাজগঞ্জ মহুকুমা রক্ষার। সিরাজগঞ্জ কলেজ মাঠ, জিন্না স্টেডিয়াম, আইআই কলেজ মাঠ ইত্যাদি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যারা প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন তাদের মধ্যে অস্ত্র এবং গুলি সরবরাহ করা। টিম গঠন করা হয় মহুকুমার বিভিন্ন সীমান্তে প্রতিরোধ ঘাঁটি গড়ে তোলার জন্য। ইতিমধ্যেই দখলে নিয়েছে নগরবাড়ি-পাবনা সড়ক। তাই সেদিক থেকে সিরাজগঞ্জের দিকে আসতে পারে পাকসেনারাÑ এটা ভেবে প্রধান ঘাঁটি গড়ে তোলা হয় শাহজাদপুরের বাঘাবাড়িতে। সেখানে একদল সশস্ত্র যোদ্ধা পাঠানো হয় ছাত্রনেতা আব্দুল লতিফ মির্জার নেতৃত্বে। যুদ্ধক্ষেত্রের সকল সহযোগিতা এবং নেতৃত্বে থাকেন এসডি শাসমুদ্দিন। কয়েকদিনের পর সেখানে যুক্ত হয় নওগাঁ ও বগুড়া থেকে আসা বেশ কয়েকজন ইপিআর ও বেঙ্গল রেজিমেন্ট সদস্য। ্একই সময়, টাঙ্গাইল থেকে পাকসেনা আসতে পারে ভেবে যমুনার তীরেও বাঙ্কার গড়ে তোলা হয়। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর মুজিবনগরে শপথ নেয় প্রবাসী সরকার।

খবর পেয়ে সিরাজগঞ্জের এমএনএ এমপিএগণ প্রবাসী সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্দেশ্যে চলে যান ভারতে। এসডিও শামসুদ্দিন ভারতের পশ্চিম দিনাজপুরে যান যোদ্ধাদের জন্য অস্ত্র সংগ্রহের উদ্দেশ্যে। কিন্তু অস্ত্র সংগ্রহ করতে না পেরে খালি হাতে ফিরে আসেন তিনি। ফিরে এসে দেখতে পান, ইপিআরের কয়েকজন বাঘাবাড়ি প্রতিরোধ ব্যূহ ছেড়ে চলে গেছে। অপরদিকে, আগেই দখলে নিয়েছে নগরবাড়ি-পাবনা সড়ক দখলে নিয়েছে পাকসেনারা, সম্প্রতি বগুড়া শহরও দখলে নিয়েছে তারা; যেকোনও সময় সিরাজগঞ্জ শহর দখলে নেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ সব ভেবে এসডিও শামসুদ্দিন যোদ্ধাদের পিছু হটে ঘাইটনা ব্রিজের কাছে করোতোয়া পাড় হয়ে সলপ স্টেশনের কাছে প্রতিরোধ ব্যূহ গড়ে তোলার পরামর্শ দেন। শামসুদ্দিন সেখানে যোদ্ধাদের রেখে ফিরে আসেন সিরাজগঞ্জে। সেখানে আওয়ামী সংগ্রাম পরিষদের নেতা আনোয়ার হোসেন রতুর সঙ্গে পরামর্শ করে জনগণকে শহর ত্যাগের নির্দেশ জারি করে মাইকিং করা হয়। শহরবাসী পিছু হটতে শুরু করলে পাকিস্তান সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও প্রাণের ভয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করে নিরাপদ স্থানে অর্থাৎ প্রত্যন্ত গ্রামে চলে যায়। কেউ কেউ চলে যায় নিজ এলাকায়। ফাঁকা হয়ে পড়ে শহর, মহুকুমা প্রশাসক, মহুকুমা পুলিশ প্রশাসক, সিও, ওসির কার্যালয়Ñ কোয়ার্টার। ২৫ এপ্রিল দিনের বেলা বগুড়া-নগরববাড়ি সড়ক দখলে নেয় পাকসেনারা। এদিন ওই সড়ক দখলে নিতে গিয়ে তার সড়কের পাশ্ববর্তী চান্দাইকোনা, ষোল মাইল, ভুঁইয়াগাঁতী, সাহেবগঞ্জ, চড়িয়া, উল্লাপাড়া, উল্লাপাড়া স্টেশন, তালগাছি, শাহজাদপুর অঞ্চলের অন্তত তিরিশটি গ্রামের সহ¯্রাধিক সাধারণ মানুষকে হত্যা করে। আগুনের পুড়িয়ে দেওয়া হয় কুড়ি সহ¯্রাধিক বাড়িঘর। এ পরিস্থিতিতে অসুস্থ মাকে দেখে আবার ফিরে আসবেন, এমন প্রতিশ্রæতি দিয়ে এসডিও একে শামসুদ্দিন টাঙ্গাইল-ঢাকার উদ্দেশ্যে শহর ত্যাগ করেন। এর আগেই এসডিপিও আনোয়ার উদ্দিন লস্কর পরিবার নিয়ে তার নিজ জেলার উদ্দেশ্যে নৌকা যোগে সিরাজগঞ্জ ত্যাগ করেন। ২৬ এপ্রিল দিনের বেলা অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে সিরাজগঞ্জ থেকে পালিয়ে যাওয়া অবাঙালিদের নিয়ে ঈশ্বরদী থেকে ট্রেন যোগে সিরাজগঞ্জ অভিমুখে আসার চেষ্টা করে। ঘাইটনা ব্রিজের ওপর তাদের প্রতিরোধের চেষ্টা করে যোদ্ধারা। এসময় পিছিয়ে যায় ট্রেনটি। পরে যোদ্ধারা প্রতিরক্ষা ব্যূহ ছেড়ে পিছু হটার সিদ্ধান্ত নেয়। অপরদিকে প্রস্তুতি নিয়ে ঘাইটনা সেতু পার হয়ে সিরাজগঞ্জ অভিমুখে চলতে থাকে ট্রেণ যোগে আসা পাকসেনারা। পিছু হটতে থাকা যোদ্ধারাা ফিরে আসে সিরাজগঞ্জ শহরে। অপরদিকের শহরবাসীর বাসিন্দারা নিজেদের রক্ষার্থে চলে গেছে শহর ছেড়ে। কতিপয় লুটপাটকারী মাড়োয়ারি পট্টিস্থ ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান (বর্তমান সোনালী ব্যাংক) ভেঙ্গে লুটপাটের চেষ্টা করছে। এ সময় যোদ্ধারা লুটপাট ঠেকাতে গোলাগুলি করে। পরে তারা সিদ্ধান্ত নিয়ে শহর ছেড়ে গ্রামের দিকে আত্মগোপনে চলে যায়। এই আত্মগোপন মানে প্রস্তুতি নিয়ে কৌশল পাল্টে ফিরে আসা, পূর্ণদ্দোমে মুক্তিযুদ্ধ শুরু করা।

লেখক: মুক্তিযোদ্ধা। লেখক। আহ্বায়ক সিরাজগঞ্জের গণহত্যা অনুসন্ধান কমিটি।

[ ফটো: সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর তীরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে স্থাপিত ভাস্কর্য “মুক্তির সংগ্রাম”। ]


একই ঘরনার সংবাদ
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!