রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন

বিএলএফ বিতর্ক – সামিউল্লাহ আজমী থেকে স্বপন চৌধুরী : মুক্তিযুদ্ধের অন্তর্দ্বন্দ্বের রক্তাক্ত ইতিহাস

লেখক
শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

যুদ্ধ মানেই ধ্বংস। যুদ্ধ মানেই আগুনে পোড়া জনপদ, শূন্য ঘর, অনাথ শিশু, আর রক্তে লেখা এক দীর্ঘ আর্তনাদ। কোনো যুদ্ধই শেষ পর্যন্ত পুরোপুরি মানবিক থাকে না। তার বুকের ভেতর জন্ম নেয় ক্ষত, বেদনা, বিচ্ছেদ, আর অসংখ্য না বলা কান্না। কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর ট্র্যাজেডি ঘটে তখন, যখন একই স্বপ্ন বুকে নিয়ে লড়াই করা মানুষগুলোর মাঝেই ভাঙন ধরে—যখন সহযোদ্ধার হাতেই ঝরে সহযোদ্ধার রক্ত। তখন যুদ্ধ আর শুধু শত্রুর বিরুদ্ধে থাকে না; যুদ্ধ ঢুকে পড়ে মানুষের ভেতরে, বিশ্বাসের ভেতরে, সম্পর্কের ভেতরে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ—আমাদের গৌরব, আমাদের অহংকার, আমাদের আত্মপরিচয়ের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায়—তেমন কিছু তিক্ত, অস্বস্তিকর এবং বেদনাময় বাস্তবতারও সাক্ষী। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা শক্তিগুলোর ভেতরেই জন্ম নেয় মতভেদ, নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব, আদর্শিক সংঘর্ষ। কোথাও কোথাও সেই বিরোধ এতটাই তীব্র হয়ে ওঠে যে, তা রূপ নেয় সহিংসতা আর হত্যাকাণ্ডে।
 
মূলধারার মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে চীনপন্থী বামপন্থী গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, কিংবা বিএলএফ ও এফএফ-এর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব—এসব ঘটনা শুধু মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে জটিল করেনি, করেছে আরও বেদনাদায়ক। কারণ এখানে শত্রু ছিল শুধু সীমান্তের ওপারে নয়; বিভক্তি জন্ম নিয়েছিল ভেতরেও। একই পতাকার নিচে দাঁড়ানো মানুষও একসময় একে অপরকে সন্দেহ করেছে, ভয় করেছে, ঘৃণা করেছে। এই বিভক্তির পেছনে ছিল কেবল স্থানীয় রাজনীতি নয়; ছিল বৈশ্বিক শক্তির দীর্ঘ ছায়াও। সেই সময়ের বিশ্বরাজনীতিতে চীন-সোভিয়েত দ্বন্দ্ব গভীর রেখাপাত করেছিল, যার প্রতিফলন এসে পড়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও। স্বাধীনতা ছিল সবার লক্ষ্য, কিন্তু সেই লক্ষ্য অর্জনের পথ নিয়ে তৈরি হয়েছিল অবিশ্বাস, সন্দেহ, আদর্শগত বিভাজন। আইয়ুব খানের শাসনামলে, ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৮ সালের ভেতর, চীনপন্থী কমিউনিস্টরা ন্যাপ-ভাসানীর ভেতরে কাজ করতেন। কমিউনিস্ট পার্টি নিষিদ্ধ থাকায় রাজনৈতিক বাস্তবতা তাদের এই কৌশল নিতে বাধ্য করেছিল। পরে ভারতের নকশাল আন্দোলনের প্রভাবে চৈনিক বামপন্থী গোষ্ঠীর একটি অংশ “শ্রেণিশত্রু খতম”-এর রাজনীতিতে বিশ্বাসী হয়ে ওঠে। ধীরে ধীরে সেই রাজনীতি রক্তের দিকে গড়ায়। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই তার প্রভাব কিছু অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। মুসলিম লীগ ও আওয়ামী লীগের কিছু নেতা এই সহিংসতার শিকার হন। বৃহত্তর পাবনা, রাজশাহী, খুলনা ও যশোর অঞ্চলে এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। চীনপন্থীরা বিভিন্ন উপদলে বিভক্ত থাকলেও সাধারণ মানুষের কাছে তারা মোটা দাগে “নকশাল” নামেই পরিচিত ছিল।
 
নকশাল আন্দোলনের খুনোখুনির শিকার হলেও আওয়ামী লীগ মূলত সভা-সমাবেশ ও রাজনৈতিক প্রতিরোধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু ১৯৭১ সালের মার্চ যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আমূল বদলে দেয়। দলগতভাবে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে ছাত্রলীগের সদস্যরা। মার্চের শুরু থেকেই অস্ত্র সংগ্রহ, প্রশিক্ষণ, এমনকি ডামি রাইফেল নিয়ে মহড়াও চলতে থাকে। সময় বদলাতে থাকে। রাজনীতি ধীরে ধীরে সশস্ত্র বাস্তবতায় ঢুকে পড়ে।
 
এই অস্থির, বিভক্ত, উত্তপ্ত সময়ের ভেতরেই জন্ম নেয় কিছু ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডির গল্প—যেগুলো শুধু ইতিহাস নয়, আমাদের বিবেককেও নাড়া দেয়।
স্বপন চৌধুরী—বিএলএফ-এর একজন যোদ্ধা। যুদ্ধের আগেই ছাত্রলীগের ভেতরে সমাজতান্ত্রিক ধারার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি। মতভেদ ছিল, তর্ক ছিল, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ছিল; কিন্তু সেই মতপার্থক্য যে একদিন রক্তে গিয়ে শেষ হবে, তা হয়তো কেউ ভাবেনি। অথচ যুদ্ধের শেষদিকে তিনি গুম ও হত্যার শিকার হন। অভিযোগ ওঠে—এটি ছিল অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফল। সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয় হলো, তার মৃত্যুর পর নেমে আসে এক অদ্ভুত নীরবতা। তার সহযোদ্ধারা, তার রাজনৈতিক সহচররা—কারও পক্ষ থেকেই দৃশ্যমান কোনো অনুসন্ধান বা বিচার চেষ্টার দেখা মেলেনি। ১৯৭২ সালে ছাত্রলীগের বিভক্তির সময় তাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হলেও, এরপর ধীরে ধীরে তিনি হারিয়ে যান আলোচনার আড়ালে। শুধু “বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র”-এর উৎস নিয়ে আলোচনা উঠলেই তার নাম উচ্চারিত হয়—একটি প্রতীকের মতো, একজন মানুষ হিসেবে নয়। যেন তার জীবন, তার স্বপ্ন, তার রক্ত—সবকিছুই ইতিহাসের প্রান্তিক এক টীকায় আটকে গেছে।
 
সামিউল্লাহ আজমীর গল্পও কম মর্মান্তিক নয়—বরং আরও জটিল, আরও বিষাদময়। ১৯৭১ সালের আগস্ট মাস। সাভারের মাটিতে ঘটে এক ভয়াবহ ঘটনা। সর্বহারা পার্টির সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা আলোচনার আহ্বান জানানোর পর সামিউল্লাহ আজমীর নেতৃত্বে কয়েকজন সেখানে যান। অভিযোগ আছে, খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে তাদের হত্যা করা হয়। (১) কী ভয়ংকর সেই দৃশ্য! যেখানে আলোচনার আহ্বান হয়ে ওঠে মৃত্যুর ফাঁদ। যেখানে আস্থার হাত বাড়িয়ে দেওয়া মানুষগুলো ফিরে আসে নিথর দেহ হয়ে। তবে সামিউল্লাহ আজমীর মৃত্যু সম্পর্কে তার সহোদর ভাই রাজী আজমীর বক্তব্য কিছুটা ভিন্ন। ড. রাজী আজমি নিজেও সর্বহারা পার্টির পূর্বসূরি সংগঠন শ্রমিক আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম ছিলেন। তার স্মৃতিচারণ অনুযায়ী—“১৯৭১ সালের আগস্ট মাসের কোনো এক অজানা তারিখে, ঢাকা থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে সাভারে সামিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যাকারীরা ছিল আওয়ামী লীগের অনুসারী রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ।” (২) এখানেই ইতিহাস আরও জটিল হয়ে ওঠে। বর্ণনায় পার্থক্য আসে, কিন্তু মৃত্যু থেকে যায় একই রকম নির্মম। সত্যের চারপাশে জমতে থাকে নীরবতা, অস্পষ্টতা, আর বিস্মৃতির ধুলো। 
 
কিন্তু এখানেও একই চিত্র। সামিউল্লাহ আজমী খুন হয়েছেন—কিন্তু সেই হত্যাকাণ্ড নিয়ে কোনো অনুসন্ধানী প্রতিবেদন নেই, নেই বিস্তারিত কোনো বর্ণনা। ঢাকা থেকে অতি সামান্য দূরত্বে এমন একটি ঘটনা ঘটলেও সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী কিংবা বামপন্থী মহলের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। যেন মৃত্যু ঘটেছে, কিন্তু ইতিহাস ফিরে তাকায়নি। ১৯৯১ সালে সর্বহারা পার্টির এক প্রকাশনায় স্বীকার করা হয় যে, সামিউল্লাহ আজমীর মৃত্যু পার্টির জন্য বড় ক্ষতি ছিল। তার নেতৃত্বে সংগঠন বিস্তৃত হয়েছিল, তার অনুপস্থিতি একটি গভীর শূন্যতা তৈরি করে। তবুও যুদ্ধ-পরবর্তী প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতেই তার জন্য কোনো শোকপ্রস্তাব নেওয়া হয়নি। অর্থাৎ প্রয়োজনের সময় তাকে স্মরণ করা হয়েছে, কিন্তু সম্মানের জায়গায় তিনি উপেক্ষিতই রয়ে গেছেন।
স্বপন চৌধুরী ও সামিউল্লাহ আজমী—দুইজন, দুই রাজনৈতিক ধারা, দুই ভিন্ন প্রেক্ষাপট। কিন্তু তাদের পরিণতি আশ্চর্যজনকভাবে এক। দুজনই নিজেদের বিশ্বাস, আদর্শ আর স্বপ্নের জন্য লড়াই করেছিলেন। অথচ শেষ পর্যন্ত তারা হয়ে ওঠেন বিভক্তির শিকার। প্রথমজন নিহত হন নিজেদের ভেতরের প্রতিপক্ষের হাতে। দ্বিতীয়জন নিহত হন ভিন্ন মতাদর্শের কারণে। কিন্তু মৃত্যু দুজনের কাছেই একই রকম নির্মম ছিল।
 
তাদের মৃত্যু শুধু ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়; এটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের এক নীরব, অন্ধকার, বেদনাদায়ক অধ্যায়। আরও কষ্টের বিষয় হলো—স্বপন চৌধুরী কিংবা সামিউল্লাহ আজমীর সঠিক মৃত্যুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত নেই। তাদের সহযোদ্ধারাও সময়ের সঙ্গে এই বিষয়গুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেননি। যেন মৃত্যু ঘটেছে, কিন্তু স্মৃতি বেঁচে থাকার অধিকার পায়নি। এমন ঘটনা শুধু এক-দুটি নয়—আরও বহু অজানা, অপ্রকাশিত গল্প রয়েছে, যেখানে একই লক্ষ্য, একই স্বপ্ন, একই সংগ্রামের মানুষ একে অপরের দিকে অস্ত্র তাক করেছে। এসব মুহূর্ত শুধু কষ্ট দেয় না—আমাদের লজ্জিতও করে। কারণ যে যুদ্ধ মানবিক মর্যাদা, স্বাধীনতা আর ন্যায়ের জন্য, সেই যুদ্ধের ভেতরেই যখন অমানবিকতা প্রবেশ করে, তখন তার চেতনাই আহত হয়।
 
স্বপন চৌধুরী কিংবা সামিউল্লাহ আজমীরা অন্তত ইতিহাসের একেবারে অন্ধকারে হারিয়ে যাননি। প্রান্তিকভাবে হলেও, কোনো না কোনো আলোচনায় তাদের নাম ফিরে আসে। কিন্তু ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় সন্দেহ, অন্তর্দ্বন্দ্ব আর ক্ষমতার সংঘাতে যে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা নিজ সহযোদ্ধাদের হাতেই নিহত হয়েছেন—তাদের অধিকাংশের নামই ইতিহাসে নেই। নেই কোনো স্মৃতিফলক, নেই কোনো আনুষ্ঠানিক স্মরণ।
এমনই এক বিস্মৃত নাম শামসুল ইসলাম টিপু। উল্লাপাড়ার মোহনপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। একজন তরুণ, যার কণ্ঠে ছিল “জয় বাংলা”, অথচ শেষ পর্যন্ত তাকেই মরতে হয়েছিল নিজের পক্ষের মানুষের হাতে। মুক্তিযোদ্ধা শ. ম. আব্দুল ওয়াহাব তার স্মৃতিচারণে লিখেছেন— “মোহনপুর ইউনিয়ন [উল্লাপাড়া-সিরাজগঞ্জ] ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম টিপুকে তুলে নিয়ে গেছে পলাশডাঙ্গা [মুক্তিযোদ্ধা গ্রুপ]। তার বাবা আবু তাহের সিদ্দিকী মুসলিম লীগার এবং শান্তি কমিটির নেতা। শোনা যায়, বাবার অপরাধে ছেলেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারা টিপুকে হত্যা করে। টিপুকে হত্যার সময় তার কণ্ঠে ছিল জয় বাংলা স্লোগান। …….. এলাকায় আলোচনা শুরু হয়। মোহনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদ নিয়ে বিরোধের কারণে টিপুকে হত্যা করা হয়েছে। এতে আমিও ভীত হয়ে পড়ি, কারণ আমার চাচা একই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী। পলাশডাঙ্গায় [ক্যাম্পে] ফিরে যাওয়ার সাহস হারিয়ে ফেলি। সিদ্ধান্ত নেই ভারতে যাওয়ার।”
 
এই স্মৃতিচারণ শুধু একজন টিপুর গল্প নয়; এটি মুক্তিযুদ্ধের অন্তর্লুকানো এক বেদনাদায়ক বাস্তবতার দলিল। যেখানে কখনো সন্দেহ, কখনো প্রতিশোধ, কখনো স্থানীয় ক্ষমতার দ্বন্দ্ব—স্বাধীনতার স্বপ্নকেও রক্তাক্ত করে তুলেছিল। সবচেয়ে নির্মম সত্য হলো—টিপুর মতো বহু মানুষের মৃত্যু ইতিহাসে কোনো পূর্ণাঙ্গ স্থান পায়নি। তারা নেই পাঠ্যপুস্তকে, নেই রাষ্ট্রীয় স্মরণে। শুধু কিছু ছিন্ন স্মৃতি আর ভাঙা বর্ণনার ভেতরেই তারা বেঁচে আছেন।
 
এই ঘটনাগুলো নিঃসন্দেহে অন্যায়, অযৌক্তিক এবং গভীরভাবে নিন্দনীয়। মতপার্থক্য থাকতেই পারে—এটাই রাজনীতির স্বাভাবিক বাস্তবতা। কিন্তু সেই মতপার্থক্য যদি সহিংসতায় রূপ নেয়, তবে তা শুধু জীবনই কেড়ে নেয় না; একটি জাতির নৈতিক ভিত্তিকেও দুর্বল করে দেয়। যুদ্ধ ও যুদ্ধোত্তর কালে নকশাল ও মুক্তিযোদ্ধাদের হানাহানির শুরুটা আসলে যুদ্ধপূর্ব সময় থেকেই। ইতিহাস এখানে আমাদের একটি কঠিন কিন্তু জরুরি শিক্ষা দেয়—সহিংসতা কখনো স্থায়ী সমাধান নয়; বরং তা নতুন সহিংসতার জন্ম দেয়, নতুন ক্ষত তৈরি করে, নতুন বিভাজন রেখে যায়। তাই অতীতের এই বেদনাদায়ক অধ্যায়গুলোকে ভুলে যাওয়া নয়—বোঝা জরুরি, স্বীকার করা জরুরি, এবং সেখান থেকে শিক্ষা নেওয়া জরুরি। কারণ ইতিহাস শুধু গৌরবের গল্প নয়; ইতিহাস সেই আয়নাও, যেখানে আমরা নিজেদের ভুল, বিভক্তি আর অমানবিকতার মুখোমুখি হই।
 
**তথ্যসূত্র**
(১) *লাল সন্ত্রাস: সিরাজ সিকদার ও সর্বহারা রাজনীতি* — মহিউদ্দিন আহমদ, পৃষ্ঠা ৮৩, বাতিঘর।
(২) রাজী আজমির স্মৃতিকথা *A Life Unveiled: My Encounters Across Countries and Cultures*–এর সর্বহারা পার্টি বিষয়ক অংশের বাংলা অনুবাদ। অনুবাদ: জাভেদ হুসেন। প্রকাশিত: ২৩ মার্চ ২০২৬, প্রথম আলো।
(৩) মুক্তিযুদ্ধ চলনবিলের পাড়ে — শ. ম. আব্দুল ওয়াহাব। কারুকাজ প্রকাশনী, ২০২১।


একই ঘরনার সংবাদ
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!