ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের পথে রাজনৈতিক গতিধারা নতুন মোড় নেয়। সেই মুহূর্তগুলো কেবল একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ হয়ে থাকে না। বরং সেটা দেশ-বিদেশে read more
বর্তমান যুগে রাজনীতি কেবল ক্ষমতা দখল বা রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিযোগিতা নয়; এটি ভাষা, প্রতীক, আবেগ, মনস্তত্ত্ব এবং কৌশলগত যোগাযোগের এক বহুমাত্রিক ক্ষেত্র। দৃশ্যমান বক্তব্যের আড়ালে প্রায়শই কাজ করে অদৃশ্য বয়ান-নির্মাণের
বাংলাদেশের একাডেমিক জগতে পদলেহন, সুবিধাবাদ ও স্বার্থের কাছে বিবেক বিকিয়ে দেওয়ার প্রবণতা যখন ক্রমশ এক ধরনের ‘নিয়মে’ পরিণত হয়েছে, তখনও কিছু মানুষ নীরবে প্রমাণ করে গেছেন যে শিক্ষকতা কেবল পেশা
‘গুম-খুন’ শব্দবন্ধটি এ লেখায় সচেতনভাবেই ব্যবহার করা হয়েছে। কারণ এই দুটি কুকাজ, ভিন্ন প্রক্রিয়ায় বা ধরণে হলেও, মানুষের জীবনের ওপর একই চূড়ান্ত ফলাফল বয়ে আনে- জীবনের চলমান পর্দা থেকে হারিয়ে
বদরুদ্দিন উমর বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসে নিছক একজন ব্যক্তির নাম নয়, বরং তিনি একটি যুগান্তকারী ধারার প্রতিনিধি। তিনি কেবল একজন চিন্তক বা গবেষক নন, বরং নিজস্ব এক বৌদ্ধিক প্রতিষ্ঠান, যিনি দীর্ঘকাল
আধুনিক বিশ্বব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ ও মানবাধিকারের নীতিকে সামনে রেখে নিজেকে এক ‘সভ্যতার অগ্রযাত্রার ধারক’ হিসেবে উপস্থাপন করে আসছে। ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘের ঘোষিত লক্ষ্য ছিল শক্তির
বাংলাদেশের গণমুখী ও নৈতিক দায়ের নতুন এক রাজনৈতিক ধারার উত্থান ও বিকাশে শহীদ ওসমান হাদীর প্রভাব আজ আর অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। তিনি যে রাজনৈতিক ভাষার প্রচলন ও গণসংযোগ
আমাদের দেশের অধিকাংশ নাগরিকের কাছেই এমনকি বহু রাজনৈতিক নেতার কাছেও ‘রাষ্ট্র’ ধারণাটি এখনো সুস্পষ্ট ও পরিপক্বভাবে গড়ে ওঠেনি। রাষ্ট্রকে অনেকেই কোনো বিমূর্ত, সর্বশক্তিমান সত্তা কিংবা ক্ষমতাকেন্দ্রিক যন্ত্র হিসেবে কল্পনা করেন।