বাংলাদেশের একাডেমিক জগতে পদলেহন, সুবিধাবাদ ও স্বার্থের কাছে বিবেক বিকিয়ে দেওয়ার প্রবণতা যখন ক্রমশ এক ধরনের ‘নিয়মে’ পরিণত হয়েছে, তখনও কিছু মানুষ নীরবে প্রমাণ করে গেছেন যে শিক্ষকতা কেবল পেশা read more
বদরুদ্দিন উমর বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসে নিছক একজন ব্যক্তির নাম নয়, বরং তিনি একটি যুগান্তকারী ধারার প্রতিনিধি। তিনি কেবল একজন চিন্তক বা গবেষক নন, বরং নিজস্ব এক বৌদ্ধিক প্রতিষ্ঠান, যিনি দীর্ঘকাল
আধুনিক বিশ্বব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ ও মানবাধিকারের নীতিকে সামনে রেখে নিজেকে এক ‘সভ্যতার অগ্রযাত্রার ধারক’ হিসেবে উপস্থাপন করে আসছে। ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘের ঘোষিত লক্ষ্য ছিল শক্তির
বাংলাদেশের গণমুখী ও নৈতিক দায়ের নতুন এক রাজনৈতিক ধারার উত্থান ও বিকাশে শহীদ ওসমান হাদীর প্রভাব আজ আর অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। তিনি যে রাজনৈতিক ভাষার প্রচলন ও গণসংযোগ
আমাদের দেশের অধিকাংশ নাগরিকের কাছেই এমনকি বহু রাজনৈতিক নেতার কাছেও ‘রাষ্ট্র’ ধারণাটি এখনো সুস্পষ্ট ও পরিপক্বভাবে গড়ে ওঠেনি। রাষ্ট্রকে অনেকেই কোনো বিমূর্ত, সর্বশক্তিমান সত্তা কিংবা ক্ষমতাকেন্দ্রিক যন্ত্র হিসেবে কল্পনা করেন।
বেগম খালেদা জিয়ার (১৯৪৫–২০২৫) রাজনৈতিক জীবনের সূচনা কোনো পূর্বপরিকল্পিত ক্ষমতা লাভের অভিলাষ বা ব্যক্তিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার ফল নয়; বরং তা জন্ম নিয়েছিল এক রক্তাক্ত ইতিহাস, আত্মত্যাগ ও জাতীয় সংকটের ধারাবাহিকতা থেকে।
বাংলাদেশ আজ এক গভীর দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই দ্বন্দ্ব উন্নয়ন বনাম অনুন্নয়নের নয়, ধর্ম বনাম ধর্মনিরপেক্ষতারও নয়। বরং এটি চেতনা ও আকিদার নামে রাষ্ট্র ও সমাজকে বিভক্ত করে ফেলার
রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনার জন্য যে কর্মকর্তাদের নির্বাচন করা হয়, তাদের মানসিক দৃঢ়তা, দায়িত্ববোধ, আইনের প্রতি আনুগত্য এবং রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তকে সম্মান করার সক্ষমতাই একটি সুস্থ প্রশাসনের ভিত্তি। এ কারণে প্রজাতন্ত্রের জন্য একজন