চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শুধু একটি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার ফল নয়, বরং এটি ছিল দীর্ঘকাল ধরে সমাজে জমে ওঠা বঞ্চনা, বৈষম্য ও স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে এক বিশাল গণজাগরণের বিস্ফোরণ। এই read more
পরিবার মানুষের ব্যক্তিত্ব গঠনের প্রাথমিক প্রতিষ্ঠান। মানবজীবনের মৌলিক বিষয়গুলোর হাতেখড়ি হয় এখানেই। একটি শিশু কেবল ভাষা নয়, শেখে কিভাবে মানুষ হয়ে উঠতে হয়। এটি কেবল একটি সামাজিক সংগঠনের একক নয়,
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় যে প্রবণতা ক্রমাগত উদ্বেগ বাড়াচ্ছে, তা হলো দাবি আদায়ের নামে জনজীবনকে অবরুদ্ধ করে ফেলা। প্রতিনিয়ত রাস্তায় আন্দোলনের নামে সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হওয়া, চিকিৎসাসেবা ও
নর ও নারীর সম্পর্ক কেবল প্রাকৃতিক নয়, বরং মানব সভ্যতার আদিলগ্ন থেকেই এটি সমাজগঠনের একটি মৌলিক ও অপরিহার্য ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই সম্পর্কের মূল স্বরূপ সহাবস্থান ও পরিপূরকতার,
ছোটবেলায় পাঠ্যপুস্তকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটিকা ‘খ্যাতির বিড়ম্বনা’ পড়ে বেশ মজা পেয়েছিলাম। তখন মনের অজান্তে এক গভীর বোধও জন্ম নিয়েছিল যে খ্যাতি কখনো আশীর্বাদ, আবার কখনো অভিশাপও হতে পারে। সাম্প্রতিক ঘটনায়
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতিতে ‘আমরা’ শব্দটি এক ধরনের প্রতিবাদী সত্তার রূপ ধারণ করেছে । কিন্তু এই ‘আমরা’ আসলে কারা? ‘আমরা’ বলতে কি নিপীড়িত, বঞ্চিত জনগোষ্ঠী, যারা রাষ্ট্রীয় পরিমন্ডলে
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়নের পথে এগিয়ে গেলেও দক্ষ মানবসম্পদের অভাব এবং সুসংগঠিত শিক্ষানীতির অনুপস্থিতি এই গতিকে বাধাগ্রস্ত করছে। আমাদের দেশে কাঙ্খিত অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য জনসংখ্যাকে
ফেব্রুয়ারী মাস এলেই বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মাতৃভাষা বাংলাকে ঘিরে রাষ্ট্রীয় পরিমণ্ডলে জাতির আবেগ এবং উৎসবের যে পরিবেশ তৈরি হয়, তা নিঃসন্দেহে আমাদের ভাষাপ্রেমের এক বিশেষ বহিঃপ্রকাশ। এই মাস আমাদের ইতিহাসে