মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন

সার্জিও গোরের কাশ্মীর মন্তব্য: মার্কিন নীতির পরিবর্তন, নাকি কৌশলী বার্তা?

‎অরণ্য অশ্রু
Update : শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬

 [ সূত্র ও প্রাসঙ্গিকতা: সার্জিও গোরের কাশ্মীর-সংক্রান্ত বক্তব্যের সরাসরি সূত্র হিসেবে ভারতের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম News On AIR-এর ১৯ আগস্ট ২০২৬-এর প্রতিবেদন ব্যবহার করা হয়েছে। শ্রীনগরে দেওয়া বক্তব্যে গোর জম্মু ও কাশ্মীরকে “an important part of India” হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর এই মন্তব্যের পর পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানায়—যার তথ্য Anadolu Agency ও The Week-এর পৃথক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি নতুন এক সংবেদনশীল পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। ভারত, পাকিস্তান, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের পুরোনো সমীকরণ বদলে যাচ্ছে। সেই পরিবর্তনের মধ্যেই মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোরের কাশ্মীর সফর এবং তাঁর একটি সংক্ষিপ্ত মন্তব্য নতুন করে কাশ্মীর প্রশ্নকে আন্তর্জাতিক আলোচনায় এনেছে। ১৯ আগস্ট শ্রীনগরে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহর সঙ্গে বৈঠকের পর গোর সাংবাদিকদের বলেন, “This is an important part of India.” একই সঙ্গে তিনি জানান, অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্র জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য বিদ্যমান ভ্রমণ সতর্কতা পুনর্বিবেচনা করতে পারে।

বক্তব্যটি আপাতদৃষ্টিতে ছোট। কিন্তু কাশ্মীরের মতো দীর্ঘদিনের বিতর্কিত ভূখণ্ডের ক্ষেত্রে একজন মার্কিন রাষ্ট্রদূত যখন শ্রীনগরে দাঁড়িয়ে এমন কথা বলেন, তখন সেটিকে নিছক সৌজন্যমূলক মন্তব্য হিসেবে দেখার সুযোগ সীমিত। পাকিস্তানও বিষয়টিকে হালকাভাবে নেয়নি। ইসলামাবাদ মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে তলব করে গোরের বক্তব্যের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং কাশ্মীরকে বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবে তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।  প্রশ্ন হলো—এটি কি কাশ্মীর প্রশ্নে ওয়াশিংটনের নীতির মৌলিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত? ]

আমেরিকার কাশ্মীরনীতি কি সত্যিই বদলে গেল?

এর উত্তর খুঁজতে হলে ইতিহাসের দিকে তাকাতে হবে।

১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর কাশ্মীর প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান একরৈখিক ছিল না। ১৯৫০-এর দশকের শুরুতে ওয়াশিংটন জাতিসংঘের মাধ্যমে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান এবং গণভোটের সম্ভাবনাকে সমর্থন করেছিল। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঐতিহাসিক নথিতেও জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে গণভোটের উদ্যোগের বিষয়টি পাওয়া যায়।

শীতল যুদ্ধের সময় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অংশীদারে পরিণত হয় এবং CENTO ও SEATO-র মতো নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হয়। ফলে কাশ্মীর প্রশ্নেও ওয়াশিংটনের নীতিতে পাকিস্তানের কৌশলগত গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়েছিল। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ভারত-পাকিস্তানকে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ মেটানোর পক্ষেও অবস্থান নেয়। ১৯৭২ সালের শিমলা চুক্তির পর ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় আলোচনার গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। পরবর্তী দশকগুলোতে ওয়াশিংটন সাধারণভাবে কাশ্মীর প্রশ্নের সমাধান ভারত ও পাকিস্তানের আলোচনার মাধ্যমে হওয়া উচিত বলে অবস্থান নিয়েছে। এই দীর্ঘ ইতিহাসের কারণে গোরের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে সরাসরি ‘আমেরিকার U-turn’ বলা অতিসরলীকরণ হবে। একটি রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক পররাষ্ট্রনীতি সাধারণত একজন রাষ্ট্রদূতের একটি বক্তব্যে বদলে যায় না। এর জন্য প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, নীতিগত ঘোষণা কিংবা পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক অবস্থান প্রয়োজন। তবে গোরের বক্তব্যকে গুরুত্বহীন বলারও কারণ নেই।

বক্তব্যের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তার স্থান ও সময়

কূটনীতিতে শুধু কী বলা হলো তা নয়, কোথায় এবং কখন বলা হলো—সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

গোর দিল্লিতে বসে কাশ্মীর সম্পর্কে মন্তব্য করেননি। তিনি নিজে শ্রীনগরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সরকারের নিরাপত্তা উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ সতর্কতা পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। অর্থাৎ সফরটির মধ্যে প্রতীকী ও কূটনৈতিক—দুই ধরনের বার্তাই রয়েছে। একদিকে এটি কাশ্মীরকে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোর অংশ হিসেবে দেখার একটি প্রকাশ্য সংকেত। অন্যদিকে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি এবং পর্যটনের সম্ভাবনার কথা বলে ওয়াশিংটন যে অঞ্চলটির সঙ্গে আরও স্বাভাবিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক যোগাযোগের সম্ভাবনা দেখছে, তারও ইঙ্গিত মিলছে। তবে এখান থেকে কাশ্মীরের আন্তর্জাতিক মর্যাদা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক নীতির পূর্ণাঙ্গ পরিবর্তন হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো এখনই ঠিক হবে না।

ভারত কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এর পেছনে বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা রয়েছে।

চীনের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারত এখন শুধু দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ নয়; ভারত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। বিশাল বাজার, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং ভারত মহাসাগরে কৌশলগত অবস্থান—সব মিলিয়ে ভারতের গুরুত্ব ওয়াশিংটনের কাছে বেড়েছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য, সরবরাহ-শৃঙ্খল এবং ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তা—বিভিন্ন ক্ষেত্রেই ভারত-মার্কিন সম্পর্ক বিস্তৃত হচ্ছে। সার্জিও গোর নিজেও ট্রাম্প প্রশাসনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি। ট্রাম্প ২০২৫ সালের আগস্টে তাঁকে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত করার সময় তাঁকে নিজের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার বিশেষ দূত হিসেবেও দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। এই প্রেক্ষাপটে গোরের কাশ্মীর মন্তব্যকে ভারত-মার্কিন কৌশলগত সম্পর্কের বৃহত্তর কাঠামোর বাইরে দেখলে বিষয়টির তাৎপর্য কমে যায়।

পাকিস্তানের জন্য বার্তাটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

পাকিস্তানের জন্য গোরের মন্তব্যের গুরুত্ব আরও বেশি।

দীর্ঘ সময় ধরে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। কিন্তু স্নায়ুযুদ্ধের অবসান, আফগান যুদ্ধের পরিবর্তিত বাস্তবতা এবং চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রতিযোগিতার ফলে ওয়াশিংটন-ইসলামাবাদ সম্পর্কের গুরুত্ব ও চরিত্র বদলেছে।

এর সঙ্গে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক সংকটও যুক্ত হয়েছে। খাইবার পাখতুনখাওয়ায় তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (TTP) তৎপরতা, বেলুচিস্তানের অস্থিরতা, আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনা এবং অর্থনৈতিক চাপ ইসলামাবাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

এই পরিস্থিতিতে একজন শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিকের কাশ্মীর সম্পর্কে ভারতের অবস্থানের কাছাকাছি বক্তব্য পাকিস্তানের জন্য নিঃসন্দেহে কূটনৈতিক ধাক্কা।

তবে এর অর্থ এই নয় যে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পুরোপুরি পরিত্যাগ করছে। ওয়াশিংটনের কাছে পাকিস্তানের ভূরাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত গুরুত্ব এখনো রয়েছে। তাই গোরের বক্তব্যকে ভারতকে সমর্থন এবং পাকিস্তানকে পরিত্যাগ—এই সরল দ্বৈত কাঠামোয় বিচার করাও ভুল হবে।

ব্রিকস, চীন ও রাশিয়ার সমীকরণ

এখানে ব্রিকসের প্রসঙ্গও গুরুত্বপূর্ণ। চীন ও রাশিয়ার প্রভাব বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ভারতকে পশ্চিমা অর্থনৈতিক ও কৌশলগত পরিসরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ রাখা যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ হতে পারে।

ভারত একই সঙ্গে ব্রিকসের সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অংশীদার। ফলে নয়াদিল্লির সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্কের গভীরতা শুধু দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বা প্রতিরক্ষা সহযোগিতার প্রশ্ন নয়; এটি বৃহত্তর শক্তির ভারসাম্যের অংশ।

ভারতের বিশাল বাজার এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি সহযোগিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে নয়াদিল্লির সঙ্গে রাজনৈতিক আস্থার সম্পর্ক তৈরি করা ওয়াশিংটনের জন্য স্বাভাবিক কৌশল।

এই কারণেই গোরের কাশ্মীর মন্তব্যকে শুধু কাশ্মীরের স্থানীয় রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে এর বৃহত্তর তাৎপর্য ধরা পড়বে না।

বাংলাদেশ কোথায় দাঁড়িয়ে?

পরিবর্তিত এই ভূরাজনীতির প্রভাব বাংলাদেশের ওপরও পড়বে।

২০২৬ সালের আগস্টের শুরুতে সার্জিও গোর বাংলাদেশ সফর করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আলোচনায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয় উঠে এসেছে। গোর সে সময় বাংলাদেশে মার্কিন অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর আগ্রহের কথাও জানান।  অর্থাৎ গোরের দক্ষিণ এশিয়া নীতিতে বাংলাদেশও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের পরিবর্তন তাই বাংলাদেশের জন্যও প্রাসঙ্গিক। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের কৌশলগত গুরুত্ব যত বাড়বে, প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনার প্রয়োজনীয়তাও তত বাড়বে। কিন্তু এর অর্থ ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নিজস্ব জাতীয় স্বার্থকে পাশ কাটানো নয়। বরং বাংলাদেশের জন্য বাস্তববাদী কূটনীতির অর্থ হওয়া উচিত—ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপানসহ বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্ককে পরস্পরের বিকল্প হিসেবে না দেখে নিজস্ব অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্বার্থের ভিত্তিতে পৃথকভাবে পরিচালনা করা।

গোরের মন্তব্যের অর্থ কী?

সার্জিও গোরের বক্তব্যকে আপাতত তিনটি স্তরে দেখা যেতে পারে।

প্রথমত, এটি ওয়াশিংটনের আনুষ্ঠানিক কাশ্মীর নীতির পূর্ণাঙ্গ পরিবর্তনের প্রমাণ নয়। একজন রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য এবং একটি রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক পররাষ্ট্রনীতি এক বিষয় নয়।

দ্বিতীয়ত, এটি ভারত-মার্কিন কৌশলগত সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সংকেত। গোরের বক্তব্য, তাঁর শ্রীনগর সফর এবং ভ্রমণ সতর্কতা পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত—সবকিছু মিলিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার একটি প্রবণতা স্পষ্ট।

তৃতীয়ত, এটি পাকিস্তানের জন্য একটি সতর্ক সংকেত। ইসলামাবাদ যে কাশ্মীর প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের পুরোনো ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানের প্রত্যাশা করে, গোরের বক্তব্য সেই প্রত্যাশার সঙ্গে সংঘাত তৈরি করেছে। পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদও তারই প্রতিফলন।

অতএব, গোরের একটি বাক্যকে আমেরিকার কাশ্মীরনীতির চূড়ান্ত U-turn বলা যেমন অতিরঞ্জিত, তেমনি এটিকে নিছক ব্যক্তিগত মন্তব্য বলে উড়িয়ে দেওয়াও বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।বরং এই বক্তব্যকে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর শক্তির পুনর্বিন্যাসের একটি জানালা হিসেবে দেখা যেতে পারে। ওয়াশিংটনের কাছে ভারতের গুরুত্ব বাড়ছে, পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন বাস্তবতায় পরিচালিত হচ্ছে, চীন-রাশিয়ার প্রভাব মোকাবিলায় ভারতকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গেও যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইছে।

শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি শুধু ‘কাশ্মীর কার?’—এতে সীমাবদ্ধ নয়। বড় প্রশ্ন হলো, আগামী দশকে দক্ষিণ এশিয়ায় শক্তির ভারসাম্য কীভাবে বদলাবে এবং ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলের দেশগুলো সেই পরিবর্তনের মধ্যে নিজেদের জাতীয় স্বার্থ কতটা দক্ষতার সঙ্গে রক্ষা করতে পারবে। সার্জিও গোরের শ্রীনগরের মন্তব্য সেই পরিবর্তনের একটি ছোট কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ সংকেত।


More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!