শিরোনাম
ট্রাম্প শাসন : সংকটের বিহ্ববলতা ইউনুস শাসনামল ! ইউনুস নীতি ! মক্কা প্যাক্ট: পবিত্র নামের আড়ালে নতুন যুদ্ধের রাজনীতি রংপুরের চার খুন: গ্রেপ্তারের পরও যে প্রশ্নগুলো থেকে যায় সার্জিও গোরের কাশ্মীর মন্তব্য: মার্কিন নীতির পরিবর্তন, নাকি কৌশলী বার্তা? গোলাপি বাস, হিজাব ও নারীর স্বাধীনতার চেকপোস্ট জাতিসংঘের রিপোর্ট: বাংলাদেশের উগ্রবাদ সংকট ১৫ আগস্ট: শেখ মুজিবর রহমান হত্যাকান্ড বিজ্ঞানের নামে দাবি, ধর্মের নামে ঢাল: গণমাধ্যমের দায়িত্ব কোথায়? সীতাকুণ্ডে বিষাক্ত গ্যাসে ৮ শ্রমিকের মৃত্যু :শ্রমিকের জীবন, শিল্পের মুনাফা ফরহাদ মজহারের বক্তব্য: জুলাইয়ের ইতিহাস কি নতুন করে লিখতে হবে? ‘ক্লায়েন্ট স্টেট’—শব্দের ঝলকানি, নাকি রাষ্ট্রনীতির বাস্তব পরীক্ষা ?
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ন

অনিশ্চিত নির্বাচীন এবং জাতীয় ভোটার দিবস !

Reporter Name
Update : শনিবার, ১ মার্চ, ২০২৫

ভোটাধিকার ধ্বংস করে ভোটার দিবস চালু করেছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভা ১ মার্চকে জাতীয় ভোটার দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। ‘ভোটার হব, ভোট দিব’ প্রতিপাদ্য নিয়ে কে এম নূরুল হুদার কমিশন ২০১৯ সালে প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি পালন করে। পরে ২০২০ সালে ভোটার দিবস একদিন পিছিয়ে ২ মার্চ নির্ধারণ করা হয়। এরপর থেকে ২ মার্চই দিবসটি পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে নির্বাচন কমিশন, এবং হালনাগাদ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে অনিয়ম ও ভোট কারচুপির অভিযোগ ওঠে। ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনও একতরফা ছিল। ভোটার হওয়ার নিশ্চয়তা থাকলেও সব নাগরিক তাঁদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেনি, এবং গত দেড় দশক ধরে নির্বাচন কমিশন সেই নিশ্চয়তা দিতে পারেনি। এবারের প্রতিপাদ্য ‘তোমার আমার বাংলাদেশে, ভোট দিব মিলেমিশে’।

ইউনুস সরকার নির্বাচনের কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করেনি। নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার জন্য নানা বিষয় সামনে আনা হচ্ছে, যেমন আওয়ামী লীগের বিচার ও নিষিদ্ধকরণ, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ইত্যাদি, যা নির্বাচনের সম্ভাবনাকে স্তিমিত করে ফেলেছে। বিভিন্ন সময়ে গণ মাধ্যম থেকে জানা যায় আগামী ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। নির্বাচন কমিশন মনে করে এবারের ভোটে কোনো বড় চ্যালেঞ্জ থাকবে না, তবে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচনী সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে বেশ কিছু আইনি ও কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন।

আওয়ামী লীগের বিচার হোক। দেশের আইনে ন্যায়বিচারে যদি আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার হারায়, হারাবে। তবে
আওয়ামী লীগের অপরাধের কারণে তাদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত জনগণকে ভোটের অধিকার নিয়ে টালবাহানা বা জাতীয় সংসদ নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া অগণতান্ত্রিক।


More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!