শিরোনাম
ট্রাম্প শাসন : সংকটের বিহ্ববলতা ইউনুস শাসনামল ! ইউনুস নীতি ! পরপর দ্বিতীয় দিনের মতো গরু ভোজের বিতর্ক: অধিকারের মুখোশে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নেহা বোরা বাংলাদেশের আন্দোলনের পাঠ : ফিরে ফিরে আসে দুষ্ট ক্ষত রাষ্ট্রীয় স্বার্থ বনাম পরাশক্তির প্রতিযোগিতা: বাংলাদেশের কূটনৈতিক ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জ মসজিদে ‘অনৈতিক কাজ’: যৌন কৌতূহলের আড়ালে দুর্বল কূটনীতি মসজিদের পবিত্রতা এবং নারী শ্রমিকের জীবনের মর্যাদা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় : খাদ্যের স্বাধীনতা, নাকি ধর্মীয় দাপট? সাতক্ষীরায় মব সন্ত্রাস: উসকানিদাতা প্রকাশ্যে, রাষ্ট্র নীরব কেন? যে ঝুঁকি উপেক্ষা করা যায় না: চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি নিয়ন্ত্রণের ভূরাজনৈতিক পরিণতি চে গুয়েভারা: কিংবদন্তি, ও বাস্তবতা  চট্টগ্রাম বন্দর: বিদেশি পুঁজির স্বার্থ, অস্বচ্ছ চুক্তি ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন

ট্রাম্প কেনার আগ্রহ প্রকাশের পর গ্রিনল্যান্ড দ্বীপের প্রতিরক্ষা বরাদ্দ বাড়াচ্ছে ডেনমার্ক

Reporter Name
Update : শনিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৫

 

গ্রিনল্যান্ডের জন্য প্রচুর পরিমাণে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ডেনমার্ক সরকার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিতে যাওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ কেনার আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করার পর এমন ঘোষণা দিয়েছে ডেনিশ সরকার। ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ট্রোয়েলস লুন্ড পলসেন বলেন, এই প্রতিরক্ষা প্যাকেজের আওতায় কমপক্ষে ১৫০ কোটি ডলার বরাদ্দ দেওয়া হবে। তিনি এ সময়ে এমন ঘোষণা দেওয়াকে ‘ভাগ্যের পরিহাস’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। গত সোমবার ট্রাম্প বলেন, বিশাল দ্বীপটির মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়াটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘অত্যন্ত প্রয়োজন।’

 

 

গ্রিনল্যান্ড দ্বীপটি ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ প্রকল্পসংক্রান্ত স্থাপনা আছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত এই দ্বীপ অঞ্চলটির অবস্থান উত্তর আমেরিকা থেকে ইউরোপে যাওয়ার সবচেয়ে সংক্ষিপ্ততম জলপথে। এই দ্বীপে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের মজুত আছে।

পলসেন বলেন, এই প্রতিরক্ষা বরাদ্দ দিয়ে দুটি নতুন পরিদর্শন জাহাজ, দুটি নতুন দূরপাল্লার ড্রোন কেনা ও দুটি অতিরিক্ত কুকুর টানা স্লেজ গাড়ি দলের ব্যবস্থা করা যাবে। এর আওতায় গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকের আর্কটিক কমান্ডের কর্মিসংখ্যা বাড়ানো ও দ্বীপটির তিনটি বেসামরিক বিমানবন্দরের মধ্যে একটিকে এফ-৩৫ সুপারসনিক যুদ্ধবিমান উঠানামার উপযোগী করতে এ তহবিল ব্যবহার করা হবে।
পলসেন আরও বলেন, ‘অনেক বছর আমরা আর্কটিক অঞ্চলে যথেষ্ট বিনিয়োগ করিনি। এখন আমরা উপস্থিতি জোরদার করার পরিকল্পনা করছি।’

ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী সুনির্দিষ্ট করে ওই বরাদ্দের পরিমাণ কত, তা উল্লেখ করেননি। তবে ডেনিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে প্রায় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ ক্রোন কোটি পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হতে পারে।


More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!