রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন

শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী : বই নিষিদ্ধের অধিকার কার?

সমসমাজ প্রতিবেদক।
Update : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬

শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী নিয়ে সাম্প্রতিক ঘটনা শুধু একটি বই বিক্রি বন্ধের ঘটনা নয়; এটি বাংলাদেশে বই, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতার পুরোনো প্রশ্নকে আবার সামনে এনেছে। শেখ মুজিবের রাজনীতির সমালোচনা করা যাবে, তাঁর আত্মজীবনী নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে, এমনকি বইটির পাণ্ডুলিপি, সম্পাদনা ও প্রকাশনা নিয়েও তদন্ত দাবি করা যাবে। কিন্তু আইনগত নিষেধাজ্ঞা ছাড়া কোনো বইয়ের বিক্রি বন্ধ করতে চাপ সৃষ্টি করা একটি গণতান্ত্রিক সমাজে স্বাভাবিক রাজনৈতিক আচরণ হতে পারে না।

ঘটনাটি কী

২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার বাংলাবাজারে দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) বিক্রয়কেন্দ্রে কয়েকজন ব্যক্তি অসমাপ্ত আত্মজীবনী কিনতে যান। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁরা বইটি নিষিদ্ধ দাবি করে বিক্রি বন্ধের কথা বলেন। পরে আরও লোকজন সেখানে জড়ো হন এবং বিক্রয়কেন্দ্রের শাটার নামিয়ে তালা দেওয়া হয়। ইউপিএলের দুই কর্মীকে ফরিদাবাদ পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁদের থানায় নেওয়া হয়নি এবং পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশ আরও বলেছে, বইটি আর বিক্রি না করার শর্তে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল এবং এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি।

ঘটনার সব দিক এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। কারা সেখানে গিয়েছিলেন, তাঁদের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য কী ছিল, বইটি নিষিদ্ধ বলে তাঁরা কোন আইনি ভিত্তির কথা বলছিলেন এবং পুলিশ কোন আইনি ক্ষমতাবলে বইটি আর বিক্রি না করার শর্ত দিয়েছিল—এসব প্রশ্নের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রয়োজন। তবে একটি মৌলিক বিষয় স্পষ্ট: কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নিজেরা কোনো বইকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন না। কোনো বই আইন লঙ্ঘন করছে বলে মনে হলে অভিযোগ করার এবং আইনি প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ আছে। নিষেধাজ্ঞার প্রশ্নটি নির্ধারিত হবে আইন ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে; ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক আপত্তি তার বিকল্প হতে পারে না।

ইউপিএলও তাদের বিবৃতিতে বলেছে, অসমাপ্ত আত্মজীবনী নিষিদ্ধ বই নয় এবং কোনো বই নিষিদ্ধ করতে হলে নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। সরকার বা আদালতের পক্ষ থেকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হলে তারা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বই নিয়ে আপত্তি নতুন নয়

এই ঘটনাটির রাজনৈতিক তাৎপর্য এখানেই। বাংলাদেশে বই নিয়ে আপত্তি নতুন কোনো বিষয় নয়। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক, ধর্মীয় কিংবা রাষ্ট্রীয় যুক্তিতে বই নিষিদ্ধ হয়েছে, প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান চাপের মুখে পড়েছে, বইমেলায় প্রকাশনীকে ঘিরে বিতর্ক হয়েছে এবং লেখকের ওপর হামলাও হয়েছে। হুমায়ূন আজাদের ওপর হামলা কিংবা অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।

এসব ঘটনার রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট এক নয়। তাই সব ঘটনাকে একই ধরনের বলাও ঠিক হবে না। কিন্তু একটি প্রবণতা অস্বীকার করার উপায় নেই—বইয়ের বক্তব্যের সঙ্গে যুক্তি ও তথ্য দিয়ে বিতর্কে না গিয়ে কখনো কখনো বই, লেখক বা প্রকাশনাকেই লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

এটি কোনো একটি রাজনৈতিক দলের সমস্যা নয়। যে পক্ষই ক্ষমতায় থাকুক বা প্রভাবশালী অবস্থানে থাকুক, নিজের অপছন্দের বই সরিয়ে দেওয়ার অধিকার তাকে দেওয়া যায় না। আজ শেখ মুজিবের বই নিয়ে যে আপত্তি উঠছে, কাল অন্য কোনো রাজনৈতিক নেতার বই নিয়েও একই আপত্তি উঠতে পারে। বইয়ের স্বাধীনতা তাই কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক পক্ষের পক্ষে-বিপক্ষের প্রশ্ন নয়; এটি একটি নীতিগত প্রশ্ন।

সম্পাদনা মানেই জালিয়াতি নয়

অসমাপ্ত আত্মজীবনী নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরেকটি বিতর্ক তৈরি হয়েছে—বইটির পাণ্ডুলিপি ও সম্পাদনা নিয়ে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সাবেক আইজিপি মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীসহ ১২৩ জনের সম্পৃক্ততা এবং তাঁদের আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার অভিযোগের কথা এসেছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানের কথাও সংবাদমাধ্যমে এসেছে। এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের বিষয়; তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এগুলোকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

তবে অভিযোগ উঠলে প্রশ্ন করা যাবে না—এমন কথাও নেই। বরং ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি পাণ্ডুলিপির প্রকাশনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে প্রকাশনা-প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন। মূল পাণ্ডুলিপি কীভাবে সংরক্ষিত হয়েছে, কে সম্পাদনা করেছেন, কী ধরনের সম্পাদনা হয়েছে, প্রকাশিত বইয়ের সঙ্গে মূল পাণ্ডুলিপির কোথায় পার্থক্য রয়েছে এবং সম্পাদনার ফলে লেখকের বক্তব্যের কোনো পরিবর্তন ঘটেছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর অনুমান দিয়ে নয়, মূল পাণ্ডুলিপি ও প্রকাশিত বই পাশাপাশি রেখে যাচাই করা সম্ভব।

এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে পরিষ্কার করা দরকার। শেখ মুজিবুর রহমান প্রধানত একজন রাজনীতিবিদ; তিনি পেশাদার লেখক ছিলেন না। তাই বহু বছর আগে লেখা এবং অসমাপ্ত অবস্থায় থাকা তাঁর পাণ্ডুলিপি একজন পেশাদার সম্পাদকের সম্পাদনা ছাড়া প্রকাশ করাই বরং দায়িত্বহীনতার পরিচয় হতো।

৭০-৭৫ বছর আগের কোনো অসমাপ্ত লেখায় ভাষা, বানান, বাক্যগঠন, অস্পষ্ট অংশের পাঠোদ্ধার কিংবা ধারাবাহিকতা ঠিক করার প্রয়োজন থাকতেই পারে। প্রয়োজন হতে পারে পাদটীকা যোগ করার, কোনো জায়গা বা ঘটনার পরিচয় দেওয়ার, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করার কিংবা বর্ণনাকে পাঠকের কাছে আরও সহজবোধ্য করার। এগুলো নিজে কোনো ষড়যন্ত্রের প্রমাণ নয়; এগুলো প্রকাশনা ও সম্পাদনার স্বাভাবিক কাজের মধ্যেই পড়ে।

প্রকাশনা জগতে সম্পাদক লেখকের জায়গা নেন না। লেখক তাঁর অভিজ্ঞতা ও বক্তব্য লিখেন; সম্পাদক সেই লেখাকে পাঠযোগ্য, সুসংহত ও প্রকাশযোগ্য করে তোলেন। বিশেষ করে পুরোনো, অসমাপ্ত বা জরাজীর্ণ পাণ্ডুলিপির ক্ষেত্রে সম্পাদকের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

তাই অসমাপ্ত আত্মজীবনী সম্পাদিত হয়েছে কি না—এটাই মূল প্রশ্ন নয়। মূল প্রশ্ন হলো, কীভাবে সম্পাদিত হয়েছে এবং সেই সম্পাদনা লেখকের বক্তব্যের অর্থ পরিবর্তন করেছে কি না।

কোথায় ভাষাগত সম্পাদনা হয়েছে, কোথায় পাদটীকা যুক্ত হয়েছে, কোথাও কি নতুন তথ্য বা বক্তব্য সংযোজন করা হয়েছে, কিংবা কোথাও লেখকের বক্তব্যের অর্থ বদলে দেওয়া হয়েছে কি না—এসবই যাচাইযোগ্য প্রশ্ন। মূল পাণ্ডুলিপি প্রকাশ্যে এনে গবেষকদের পরীক্ষা করার সুযোগ দিলে বিতর্ক অনেকটাই পরিষ্কার হতে পারে। সন্দেহের চেয়ে স্বচ্ছতা এখানে বেশি কার্যকর।

বদরুদ্দীন উমরের প্রসঙ্গ

এই বিতর্কে বদরুদ্দীন উমরের নামও এসেছে। লেখক ও গবেষক মোরশেদ শফিউল হাসান তাঁর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের মতামত নিবন্ধ “‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’: কল্পগল্প ও কেচ্ছা-কাহিনি”-তে বদরুদ্দীন উমরের সঙ্গে কয়েকজন ব্যক্তির সাক্ষাতের একটি বিবরণ দিয়েছেন। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, ওই ব্যক্তিরা উমরের কাছ থেকে এমন বক্তব্য আদায় করতে চেয়েছিলেন যে শেখ মুজিবের নামে প্রকাশিত বইগুলো আসলে তাঁর লেখা নয়। হাসানের বর্ণনা অনুযায়ী, উমর সে বক্তব্য সমর্থন করেননি। বরং তিনি বলেছেন, বইগুলোতে কমবেশি সম্পাদনা থাকতে পারে, কিন্তু এগুলো মুজিবেরই লেখা এবং অন্য কারও পক্ষে তাঁর অভিজ্ঞতাগুলো এভাবে লেখা সম্ভব নয়।

এখানে সূত্রগত সতর্কতা জরুরি। এটি বদরুদ্দীন উমরের নিজের প্রকাশিত লেখা বা সরাসরি সাক্ষাৎকার নয়; মোরশেদ শফিউল হাসানের নিবন্ধে উমরের বক্তব্য হিসেবে বর্ণিত একটি ঘটনা। তাই এটিকে উমরের সরাসরি উদ্ধৃতি হিসেবে না লিখে হাসানের বর্ণনা হিসেবেই উপস্থাপন করা উচিত।

তবে বক্তব্যটির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আছে। শেখ মুজিবের রাজনৈতিক অবস্থানের কঠোর সমালোচনা করা আর তাঁর লেখকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা এক বিষয় নয়। কোনো পাণ্ডুলিপিতে সম্পাদনা থাকা এবং সেই পাণ্ডুলিপি লেখকের নিজের লেখা হওয়া—দুটি বিষয় পরস্পরবিরোধী নয়। বরং পুরোনো ও অসমাপ্ত পাণ্ডুলিপির ক্ষেত্রে সম্পাদনা একটি স্বাভাবিক প্রকাশনা-প্রক্রিয়া।

আত্মজীবনী ইতিহাসগ্রন্থ নয়

আরেকটি বিষয় মনে রাখা দরকার। অসমাপ্ত আত্মজীবনী একটি আত্মজীবনী, কোনো নিরপেক্ষ ইতিহাসগ্রন্থ নয়। শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর নিজের জীবন, অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক সময়কে তাঁর নিজের দৃষ্টিকোণ থেকে বর্ণনা করেছেন। একজন রাজনৈতিক নেতার আত্মজীবনীতে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং নিজের সময় সম্পর্কে মূল্যায়ন থাকাটাই স্বাভাবিক।

ফলে তাঁর বর্ণনার সঙ্গে অন্য রাজনৈতিক নেতা, প্রত্যক্ষদর্শী কিংবা ইতিহাসবিদের বর্ণনার পার্থক্য থাকতেই পারে। কোনো ঘটনার তাঁর ব্যাখ্যা অন্য দলিলের সঙ্গে মেলে কি না, কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ কি না, কোনো মূল্যায়ন একপেশে কি না—এসব যাচাই করা ইতিহাসচর্চার স্বাভাবিক কাজ।

শেখ মুজিবের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করা যাবে। তাঁর সিদ্ধান্ত, শাসনব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। তাঁর আত্মজীবনীর কোনো বক্তব্যও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু সেই প্রশ্নের উত্তর বইয়ের বিক্রি বন্ধ করে নয়, গবেষণা ও দলিলের মাধ্যমে খুঁজতে হবে।

বইয়ের জবাব বই দিয়ে

অসমাপ্ত আত্মজীবনী নিয়ে বিতর্কের পথ বন্ধ করার বদলে আরও উন্মুক্ত করা উচিত। বইয়ে ভুল থাকলে তার ভুল প্রমাণ করা হোক। তথ্যের অসঙ্গতি থাকলে তা দলিল দিয়ে তুলে ধরা হোক। সম্পাদনায় অনিয়ম হয়ে থাকলে তার প্রমাণ প্রকাশ করা হোক। লেখকের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত থাকলে সেই দ্বিমত নিয়ে বই লেখা হোক।

বাংলাদেশে বইকে ঘিরে বিরোধের ইতিহাস দীর্ঘ। তাই কোনো রাজনৈতিক পক্ষের অপছন্দের বই সরিয়ে দেওয়ার সংস্কৃতি তৈরি হলে শেষ পর্যন্ত তার প্রভাব কোনো একটি বই বা একটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। আজ যে বইটি অপছন্দের, কাল অন্য কোনো বইও একই যুক্তিতে অপছন্দের হয়ে উঠতে পারে।

একটি গণতান্ত্রিক সমাজে রাষ্ট্রের কাজ বইয়ের বক্তব্য নির্ধারণ করা নয়, আইন প্রয়োগ করা। প্রকাশকের কাজ বই প্রকাশ করা। পাঠকের কাজ বই পড়া বা না পড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া। গবেষকের কাজ বইয়ের বক্তব্য পরীক্ষা করা। আর রাজনৈতিক দলের কাজ নিজের বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি ও জনসমর্থন তৈরি করা—বইয়ের দোকানের শাটার নামিয়ে দেওয়া নয়।

শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি শেখ মুজিবের পক্ষে বা বিপক্ষে নয়। প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশে বই নিয়ে রাজনৈতিক বিরোধের সীমা কোথায় থাকবে। কোনো বই আইনত নিষিদ্ধ হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। কোনো বই ভুল হলে তার ভুল প্রমাণ করা যাবে। কোনো লেখকের রাজনৈতিক অবস্থানের বিরোধিতা করা যাবে। কিন্তু আইনগত নিষেধাজ্ঞা ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি নিজেরাই ঠিক করতে শুরু করে কোন বই দোকানে থাকবে আর কোন বই থাকবে না, তাহলে সেটি শুধু একটি বইয়ের সমস্যা থাকে না; তা প্রকাশনা ও মতপ্রকাশের পরিবেশের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

বইয়ের জবাব বই দিয়ে দিতে হবে, যুক্তির জবাব যুক্তি দিয়ে এবং অভিযোগের জবাব প্রমাণ দিয়ে। শাটার নামিয়ে ইতিহাস লেখা যায় না।


More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!